বাউফলে ইটভাটায় অবাধে পুড়ছে কাঠ

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ০২:১০

উপজেলার ১২টি ইটভাটায় প্রতিদিন অবাধে পোড়ানো হচ্ছে হাজার হাজার মণ কাঠ। ইটভাটায় ড্রাম চিমনি ব্যবহার করায় কালো ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত হচ্ছে এলাকার পরিবেশ। এসব ঘটনা হচ্ছে প্রশাসনের ছত্রছায়ায়। ফসলি জমি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে ইটভাটা তৈরি করা যাবে না। ব্যবহার করা যাবে না ড্রাম চিমনি। পোড়ানো যাবে না কাঠ। এসব নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইটভাটার মালিকরা তা মানছেন না।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, কয়েকটি ইটভাটা বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত, বেশ কয়েকটি ফসলি জমিতে আবার কয়েকটি বাজারের পাশে এমনকি বাউফল পৌর শহরের উপজেলার প্রশাসনে পাশেই ফসলি জমিতে গাজী ব্রিকস, ধানদী আদর্শ বিদালয় সংলগ্ন ধানক্ষেতের মধ্যে মোল্লা ব্রিকস ড্রাম চিমনির মাধ্যমে অবাধে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। 

 

কালিশুরী কলেজ এলাকায় সেভেন স্টারে ব্রিকস, কালিশুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পূর্বপাশে শাহিন ব্রিকস, কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ৫০ গজ দূরে নাসিম ব্রিকস, বাহেরচর বাজারের পাশে অরুনা ব্রিকস ও এন্টারপ্রাইজ। ওই সমস্ত ইটভাটায় কাঠ পোড়ানোর অনুমতি নেই। নেই ড্রাম চিমনি ব্যবহারের অনুমতি, নেই ইটভাটা করার লাইসেন্স। ভাটার মালিকরা জানান, তাদের অনুমোদন আছে কিন্তু কেউ কাগজ দেখাতে পারেননি।

 
অভিযোগ রয়েছে, পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্তে আসেন। কিন্তু সত্যতা প্রমাণ পেলে কিছু আর্থিক জরিমানা করে চলে যাওয়ার পরে পুনরায় অবাধে চলে ড্রাম চিমনির মাধ্যমে কাঠ পোড়ানোর কাজ। এ প্রসঙ্গে বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কোনোক্রমেই ফসলি জমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পৌরসভা এলাকায় ইটভাটা করা যাবে না। যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, যেসব ইটভাটার অনুমোদন নেই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা  নেয়া হবে।

ইত্তেফাক/এএন