তামিলনাড়ুর মসজিদে শরীয়া আদালত পরিচালনা নিষিদ্ধ করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি সঞ্জয় কিশন কৌল ও বিচারপতি এম সুন্দরের বেঞ্চের রায়ে বলা হয়, ধর্মীয় উপাসনার জায়গা শুধু সেই কাজেই ব্যবহার করা যাবে।
মসজিদে এই ধরণের আদালতের কর্মকাণ্ড পরিচালনা বন্ধ হয়েছে কী না সেই বিষয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। একজন প্রবাসী ভারতীয় মুসলমান আব্দুল রহমান জনস্বার্থে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন যে চেন্নাইয়ের মক্কা মসজিদ শরীয়ত কাউন্সিল নিয়মিত আদালতের মতো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তারা বিবাহ সংক্রান্ত বিবাদের মীমাংসা করছে, তালাক নির্দেশ ও পক্ষদের ডেকে পাঠানোর মতো কাজও করছে।
শরীয়া আদালতের কাছে হয়রানির শিকার হয়েছেন আব্দুল রহমান। তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করলে শরীয়া কাউন্সিল সেখানে বাধা দেয় এবং তালাকনামায় স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে।
তার আইনজীবী সিরাজুদ্দিন বলেন, আব্দুল রহমান তামিলনাড়ুর শরীয়া কাউন্সিলের কাছে হেনস্থার শিকার নিরীহ মুসলমানদের প্রতিকারের জন্য এই আবেদন করেছেন। শরীয়া আইনের দোহাই দিয়ে তাদের রায় ধর্মীয়ভাবে বৈধ আখ্যায় দিয়ে মানতে বাধ্য করা হচ্ছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ইত্তেফাক/এসএসএ
