আজো সংরক্ষণ হয়নি বানারীপাড়ার বধ্যভূমি

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ০১:৫৩

ডিসেম্বর বিজয়ের মাস, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হয়েছিল। এ দেশের মুক্তিকামী বীর মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে পাকিস্তান বহিনীকে আত্মসমর্পণ করিয়েছিল। সে সময় বানারীপাড়ার মুক্তিযোদ্ধারাও যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। তারই প্রমাণ বানারীপাড়ায় স্বাধীনতা যুদ্ধের গণহত্যার চিহ্ন উপজেলার গাভা ও তালাপ্রসাদ-দিদিহার গ্রামের দুটি বধ্যভূমি। যা আজও সরকারিভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি।

 
১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়া শতাধিক লাশ গণকবর দেওয়া হয়েছিল ওই বধ্যভূমিতে।
 
ওই বধ্যভূমির স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় প্রবীণ শিক্ষক সুখরঞ্জন সরকার ২০১০ সালের ২৫ মে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। আবেদনের পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরেজমিন তদন্ত শুরু করে বানারীপাড়া থানার পুলিশ। তদন্তে উপজেলার পশ্চিম গাভা-নরেরকাঠী ও তালাপ্রসাদ এলাকায় পৃথক দুটি বধ্যভূমির সন্ধান পায়।
 
বধ্যভূমির সত্যতা পাওয়ার বিষয়ে তত্কালীন ওসি মো. মেজবাউদ্দিন সরেজমিন তদন্তের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং তিনি এ তদন্তে দক্ষিণ গাভা-নরেরকাঠী বধ্যভূমির প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেছিলেন। তার দেওয়া ওই প্রতিবেদনের দীর্ঘদিন পার হলেও সরকারিভাবে আজ পর্যন্ত বধ্যভূমি সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
 
জেলা প্রশাসকের সংশ্লিষ্ট শাখার সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার তিনটি উপজেলার তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি উপজেলার রিপোর্ট পেলে একসঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
 
 
 

ইত্তেফাক/এএন