জেলা পরিষদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গায় আওয়ামী লীগ বিভক্ত

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১২:০৬
চুয়াডাঙ্গার জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করলেও চেয়ারম্যান পদে নিজ দলের প্রার্থীর সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীসহ ৪ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৫৮ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
 
চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত সদ্য বিদায়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  (মোটরসাইকেল) প্রতীক, বিদ্রোহী প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য শেখ শামসুল আবেদীন খোকন (মোবাইল) প্রতীক, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন (আনারস) প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী মামুনুর রশীদ আঙ্গুর  (ঘোড়া) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই নির্বাচনে নিজেদের প্রচার-প্রচারণায় ও ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী থাকা চেয়ারম্যান ও সদস্য পদপ্রার্থীরা।
 
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দলীয় নেতা-কর্মীরা দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের এম.পি ও জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন দলীয় মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মনজুর পক্ষে জেলা নেতা-কর্মীদের কাজ করার জন্য ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন।
 
অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এম.পি আলী আজগার টগর এর নির্দেশে জীবননগর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ অমল, যুবলীগ নেতা ও চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু, জীবননগর পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর হোসেন. খাদিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান সহ অসংখ্য ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য শেখ শামসুল আবেদীন খোকনের সঙ্গে ভোটযুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন।
 
ইত্তেফাক/এএস