'কোন নির্দিষ্ট অঞ্চল নয়, গোটা বাংলাদেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাস করেন প্রধানমন্ত্রী', বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিকালে শাহবাগে জাতীয় গ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে 'কুড়িগ্রাম স্টুডেন্স ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা' আয়োজিত এক নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে যখন নৌ পরিবহন মন্ত্রী করলেন, এতে আমি কিন্তু আশ্চর্য হইনি। কারণ, আমি যেহেতু রাজনীতি করি তাই আমি সব কিছুর জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকি। কিছু কিছু মানুষ কিন্তু আশ্চর্য হয়েছিল যে, খলিদ মাহমুদ তো উত্তরবঙ্গের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী কিন্তু সেই সমস্ত মানুষের চিন্তার বাইরের। তিনি উত্তরবঙ্গ-দক্ষিণবঙ্গ কনসেপ্টে নয়, বাংলাদেশের কনসেপ্টে বিশ্বাস করেন। তো আমি বলতে চাই, এখানে কুড়িগ্রামের যারা আছেন, আপনারা বাংলাদেশের কনসেপ্টে চলবেন'।
তিনি আরও বলেন, 'নিজের মাতৃভূমি, মাতৃভাষা তো সবার মধ্যে থাকবেই, তবে আমাদের সমগ্র বাংলাদেশকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে। আপনি যদি বাংলাদেশে ভূমিকা রাখতে পারেন, কুড়িগ্রাম এমনিই আলোকিত হয়ে যাবে। এটার জন্য আলাদা ইফোর্ট (শ্রম) দিতে হবে না। কুড়িগ্রামের কথা দেশরত্ন শেখ হাসিনার মাথায় আছে। ১৯৯৬ সালে যখন তিনি প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন, তখন কুড়িগ্রামের ধরলার উপর কোন সেতু ছিল না। ওটা দিয়ে আমি নিজে ফেরি পার হয়েছি অনেক বার। সেই ধরলা নদীতে তিনি সেতু দিলেন। পরবর্তীতে তিনি তিস্তা সেতুও দিলেন। ফলে কুড়িগ্রামের সঙ্গে যোগযোগ ব্যবস্থা এখন অনেক ভালো। শুধু তাই নয়, কুড়িগ্রামের কুলাঘাটে দ্বিতীয় ধরলা সেতুও তিনি দিয়েছেন'। এছাড়াও ছাত্রলীগ সভাপতির প্রশংসা করে খালিদ বলেন, 'এমন অনেকেই কুড়িগ্রামকে আলোকিত করেছে'।
আরও পড়ুন: বনানীতে আগুন: ১৩ জন নিখোঁজ
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। সংগঠনের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এরশাদুল হক, ঢাকা-৮ অঞ্চলের উপ-কর কমিশনার মিজানুর রহমান উল্লাস, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ আল-আমিন প্রমুখ।
ইত্তেফাক/ জেডএইচডি
