পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সাংবাদিককে মারপিট করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
জানা গেছে, জেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে উপজেলা সদরে হালকা উত্তেজনা চলছিল। বুধবার সকালে উপজেলার পুরাট গ্রামের শওকত হোসেন (৩৪) পৌর সভার বোয়ালমারি গ্রামের আ. রশিদ ওরফে আমির হোসেনের ছেলে রাসেলকে (২৮)ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সংঘর্ষে দুইজন আহত হয়। আহত রাসেলকে প্রথমে সাঁথিয়া ও পরে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তপন হায়দার সানের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অফিসে দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে বেড়া ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে নেয়।
অফিসে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে তপন হায়দার সানের সমর্থকরা পৌরসভা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলের ছবি তুলতে গেলে কর্তব্যরত দৈনিক ‘আলোকিত বাংলাদেশ’র সাঁথিয়া প্রতিনিধি খালেকুজ্জামান পানুর ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে তাকে মারপিট করে আহত করেন বিক্ষোভকারীরা। তাকে সাঁথিয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।
ইত্তেফাক/এএসএমইউ
