শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বাগেরহাটে জেলা পরিষদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১ হাজার ৩৬ জন। যাদের মধ্যে নারী ভোটার ছিলেন ২শ ১৪ জন এবং পুরুষ ৮শ ২২ জন।
চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী থাকায় জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকুকে আগেই বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। ফলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় শুধু মাত্র সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে।
জেলার ১৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে একক প্রার্থী থাকায় সাধারণ সদস্য পদে ৩জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে দুইজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই নির্বাচিত হন। ফলে সাধারণ সদস্য পদে বিজয়ের জন্য ১৩টি ওয়ার্ডে ৩৫ জন এবং ২টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সাধারণ সদস্য পদে অপর নির্বাচিতরা হলেন- ২নং (চিতলমারী) ওয়ার্ডে এম এম ওলিউজ্জামানা, ৩নং (চিতলমারী) ওয়ার্ডে মো. মোহন আলী বিশ্বাস, ৪নং (ফকিরহাট) ওয়ার্ডে শেখ আব্দুর রাজ্জাক (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ৫নং (ফকিরহাট) ওয়ার্ডে মল্লিক আবুল কালাম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ৬ নং (বাগেরহাট সদর) ওয়ার্ডে কাজী জাহিদ সারোয়ার, ৭নং (সদর) ওয়ার্ডে মো. ইব্রাহিম মোল্লা, ৮নং (রামপাল) ওয়ার্ডে অসিত বরন কুণ্ডু, ৯নং (রামপাল) ওয়ার্ডে মুক্তিযোদ্ধা অতীন্দ্র নাথ হালদার, ১০ নং (মংলা) ওয়ার্ডে শেখ আব্দুর রহমান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ১১নং (কচুয়া) ওয়ার্ডে শেখ মনিরুজ্জামান, ১২নং (মোরেলগঞ্জ) ওয়ার্ডে মো. কামাল হোসেন, ১৩নং (মোরেলগঞ্জ) ওয়ার্ডে কে এম নাসির উদ্দিন, ১৪নং (মোরেলগঞ্জ) ওয়ার্ডে মো. শাহবুদ্দিন তালুকদার এবং ১৫নং (শরণখোলা) ওয়ার্ডে মো. মহিম আকন।
সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন - ২নং ওয়ার্ডে (ফকিরহাট-বাগেরহাট সদর) অঞ্জলি রানী দাস (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ৩নং ওয়ার্ডে (কচুয়া-সদর-রামপাল) শরীফা খানম, ৪নং ওয়ার্ডে (মংলা-কচুয়া-মোরেলগঞ্জ) মোছা. আফরোজা আখতার (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) ও ৫নং (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) মাছুদা আক্তার মুক্তা।
বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক এই ফলাফল নিশ্চিত করেছন।
ইত্তেফাক/এসএস
