ফরিদপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে জেলা পরিষদ নির্বাচন। সকাল থেকে ১২টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলে বেলা ২টা পর্যন্ত।নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন ছিল।
৩ টি নারী ও ১০ টি কাউন্সিলর পদে জেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগেই বিনা প্রতিদন্ধিতায় নির্বাচিত হন চেয়ারম্যান ও ৫ জন কাউন্সিলর ও ৩ জন নারী কাউন্সিলর।
ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ আসনের এক নম্বর ওয়ার্ডে এফ এম মোশাররফ হোসেন মুসা, দুই নম্বর ওয়ার্ডে সাহেব সরোয়ার, তিন নম্বরে আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, চার নম্বর ওয়ার্ডে মির্জা আহসানুজ্জামান আজাউল, পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে অধ্যাপক দেবপ্রসাদ রায় দেবু, ছয় নম্বর ওয়ার্ডে আবু জাফর সিদ্দিকী, সাত নম্বর ওয়ার্ডে আবুল কালাম আজাদ, আট নম্বর ওয়ার্ডে শেখ শহীদুল ইসলাম, নয় নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুর রব মোল্লা, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে খন্দকার জাকির হোসেন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে কামাল হোসেন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে শাহীন শেখ, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে দেলোয়ার হোসেন, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে শায়েদীদ গামাল লিপু এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে গোলাম রব্বানী পান্নু।
সংরক্ষিত আসনের পাঁচটিতে বিজয়ীরা হলেন, এক নম্বরে ঝর্ণা হাসান, দুই নম্বরে সুরাইয়া সালাম, তিন নম্বরে বিউটি বেগম, চার নম্বরে আঞ্জুমান আরা বেগম এবং পাঁচ নম্বরে বিউটি আক্তার।
এর আগে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী লোকমান হোসেন মৃধা, সাধারণ আসনের এক নম্বরে মোশাররফ হোসেন, দুই নম্বরে সাহেব সরোয়ার, তিন নম্বরে আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা এবং নয় নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুর রব মোল্লা, চৌদ্দ নং ওয়ার্ডে শাহেদীদ গামাল লিপু এবং সংরক্ষিত আসনের এক নম্বর ওয়ার্ডে ঝর্ণা হাসান ও দুই নম্বর ওয়ার্ডে সুরাইয়া সালাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
ইত্তেফাক/এমএইচ
