গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নির্বাচনী আইন বহির্ভূত কার্যক্রমের প্রতিবাদে ২টি কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল প্রত্যাখ্যান ও পুনঃ ভোট গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সৈয়দ-শামস-উল-আলম হিরু (তালগাছ)। বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সদর ও বাজারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র সীমানার বাইরে আওয়ামী লীগ দলীয় নির্বাচনী অফিস প্রশাসনের লোকজন ভাঙচুর করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সেই সঙ্গে প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বুথ থেকে বের করে দেয় প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকরা।
ফুলছড়ি উপজেলার ভোট কেন্দ্রের ভোট গণনা করার আগে ওই উপজেলার চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ও তার ক্যাডার বাহিনী রোমানের নেতৃত্বে কতিপয় বহিরাগত লোকজন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর এজেন্টদের জোর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে মনগড়া ভুয়া ফলাফল ঘোষণা করে। অপরদিকে পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নে ভোটার তালিকায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে কতিপয় ব্যক্তিকে তালিকাভুক্ত করা হয়। কিন্তু সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের প্রকৃত জনপ্রতিনিধিদের ভোটার তালিকাভুক্ত করার আবেদন করা হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি।
এছাড়া সকল কেন্দ্রের ফলাফল আসার আগেই রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ ৫টা ৮ মিনিটে বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আতাউর রহমান আতাকে যোগসাজশের মাধ্যমে বিজয়ী ঘোষণা করেন। অথচ সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও সাধারণ সদস্যদের ফলাফল তখনও চূড়ান্ত করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি ফরহাদ আব্দুল্যাহ হারুন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, জেলা আ’লীগ নেতা রনজিৎ বকসী সূর্য, মো. পিয়ারুল ইসলাম, এমারুল ইসলাম সাবিন, মো. মাসুদ রানা, শাহরিয়ার খান বিপ্লব, অ্যাড. আব্দুল জলিল আকন্দ, সৈয়দ রেজওয়ান, অ্যাড. নিরঞ্জন ঘোষ, নির্বানেন্দু বর্মণ ভাইয়া, তাহমিদুর রহমান সিজু, আব্দুল লতিফ মণ্ডল, শাহরিয়ার আহমেদ শাকিল প্রমুখ।
ইত্তেফাক/এসএস
