‘ভোট দেননি, টাকা ফেরত দেন’

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৮:৫৮
কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৪নং ওয়ার্ড রৌমারী এবং ১৫নং ওয়ার্ড রাজীবপুরের ভোটারদের  দেয়া টাকা ফেরত নিচ্ছেন পরাজিত প্রার্থীরা। 
 
ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী বাজার ঘুরে ভোটারদের কাছ থেকে টাকা ফেরত নিতে দেখা গেছে প্রার্থীদের। টাকা নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে পরাজিত প্রার্থীরা ভোটার কে বলছেন, ‘ভোট দিবেন না তো টাকা নিলেন ক্যান।’ উত্তরে ভোটাররাও বলছে ‘টাকা ফেরত নিবেন তো নিবেন, গালি দেন ক্যান। 
 
১৫ নং ওয়ার্ড সদস্য পদে পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মালেক। তিনি রৌমারীর যাদুরচর মডেল কলেজের প্রভাষক। নির্বাচনে তার প্রতীক ছিল টিউবয়েল। তিনি বেশ কিছু ভোটারকে টাকা দিয়েছিলেন। 
 
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার নিজের ইউনিয়নে প্রতি ভোটারকে ১৩ হাজার করে টাকা দিয়েছি। কিন্তু তারা আমাকে ভোট দেয়নি। এতবড় মোনাফেকী কেউ করে?’
 
তবে যাদুরচর ইউনিয়নে আবু সামা নামের এক ওয়ার্ড সদস্য বলেন, ‘উনি তো ১৩ হাজার টাকার কথা বলছে। আসলে কিছু কম আছে। কিন্তু আমি তো ভোট দিয়েছি। তারপরও আমার নিকট টাকা চাচ্ছে। এনিয়ে বাজারে প্রকাশ্যে অপমান করেছে আমাকে।’
 
সংরক্ষিত ৫নং ওয়ার্ড সদস্যপদে মাহমুদা আক্তার স্মৃতি মাইক প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে হেরে গেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি ইউনিয়নে ৬০ হাজার করে টাকা দিয়েছি। ভোটও পেয়েছি বেশ। কিন্তু নির্বাচিত হতে পারলাম না। এর কারণ আমার নিজের ইউনিয়নের লোকজনই আমাকে ভোট দেয়নি। যারা টাকা নিয়েছে তারাও আমার সঙ্গে বেইমানী করেছে।’
 
ইত্তেফাক/ইউবি