মসুল থেকে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের উৎখাতের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় পর্যায়ে আক্রমণ শুরু করেছে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী। তাছাড়া প্রায় একমাস ধরে পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতির অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় এখানকার বেশকিছু জেলায় সেনা প্রেরণ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, হাজার হাজার ফেডারেল পুলিশ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ আগে মসুলের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা থেকে তাদেরকে সরিয়ে আনা হয়। ‘মসুলকে মুক্ত করতে দ্বিতীয়বারের মতো অভিযান চালিয়েছে বিশেষ বাহিনী, ফেডারেল পুলিশ ও সেনাবাহিনী।’ জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সেনা কমান্ডার জেনারেল নিজাম জাবরি।
নয় সপ্তাহ আগে মসুল পুনরুদ্ধারে হামলা চালানো আরম্ভ করলে সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী শহরটির এক চতুর্থাংশ দখলে নেয়। শহরটি জঙ্গিদের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি। তবে নিরাপত্তা বাহিনী ধীরে ও শক্তভাবে অগ্রসর হচ্ছে। এদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের একটি ইউনিটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইনতিসার জেলায় সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী অগ্রসর হচ্ছে। তারা প্রথম ৫ বা ১০ মিনিটে ৫শ মিটার জায়গা দখলে নিয়ে এসেছে।
সকালে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় বিমান হামলায় আকাশে সাদা ধোঁয়া দেখা যায়। একইসময়ে উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে ব্যাপকভাবে বন্দুকের গুলির শব্দ শোনা গেছে। এছাড়া লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই একটি গাড়িবোমা নিষ্ক্রিয় করে দেয় সেনাবাহিনী। মসুলের এ যুদ্ধক্ষেত্রে ১ লাখ ইরাকি সৈন্য মোতায়েন রয়েছে। এরা কুর্দি নিরাপত্তা বাহিনী ও শিথি বেসামরিক অস্ত্রধারী যোদ্ধা। ২০০৩ সালে দেশটিতে মার্কিন অভিযানের পর এটাই সবচেয়ে বড় অভিযান। মার্কিন ঐ আক্রমণাত্মক অভিযানে দেশটির স্বৈর নেতা সাদ্দাম হোসেনকে উত্খাত করা হয়। রয়টার্স।
ইত্তেফাক/এসএসএ
