আশুগঞ্জ-ভৈরব দ্বিতীয় রেল সেতু খুলে দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬, ০১:৪৯

চট্টগ্রাম রেল রুটের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ-ভৈরব মেঘনা নদীর উপর নির্মাণাধীন দ্বিতীয় রেল সেতুর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে সেতুর নয়টি স্প্যানের মধ্যে আটটির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে দুই দফায় নয় মাস সময় বাড়িয়েও সেতু খুলে দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

 
তবে এখনো শেষ করা সম্ভব হয়নি সেতুর একটি স্প্যান বসানোর কাজ। এছাড়া বাকি রয়েছে দুই পাশে প্রায় এক কি.মি অ্যাপ্রোচ সড়ক এবং দুই পাশের চারটি ছোট সেতুর কাজ। এরই মধ্যে আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে সেতুটি খুলে দেওয়ার আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৮৫ ভাগ কাজ শেষ করা সম্ভব হয়েছে।
 
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ভারতের রাষ্ট্রীয় ঋণ (এলওসি) এর  আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ-ভৈরব মেঘনা নদীর উপর দ্বিতীয় রেল সেতুর কাজ গত ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু করা হয়। প্রায় ৯৮২.২ মিটার দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণ কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ভারতের ইরকন-এফকনস জেভি নামে একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এর নির্মাণ কাজ করছে। চুক্তি অনুযায়ী গত ৩০ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও তা করতে পারেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
 
এ পর্যন্ত দুই দফায় নয় মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। প্রথম দফায় ছয় মাস সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতায় তাও করা সম্ভব হয়নি। পরে দ্বিতীয় দফায় আরো তিন মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। ইতোমধ্যে নয়টি স্পেনের মধ্যে আটটি বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। আগামী মার্চ মাসের মধ্যে বাকি কাজ শেষ করে সেতুটি খুলে দেওয়া সম্ভব হবে কিনা এ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
 
আশুগঞ্জ-ভৈরব রেল সেতু প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হাই জানান, ইতোমধ্যে ৮৭ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ চলতি অর্থবছরের মার্চ মাসের আগেই শেষ করে চালু করা হবে।

ইত্তেফাক/এএন