২৫ বছর আগে একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করে নিশ্চিত জীবনের স্বপ্ন বুনছিলেন ভারতের বর্ধমানের বাসিন্দা প্রদীপ কুমার রায়। কিন্তু বখাটেদের হাতে বোনের অপমানের প্রতিবাদ করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের আক্রমণের শিকার হয় তার গোটা পরিবার।
১৯৯১ সালের ঐ ঘটনায় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় তাদের বাড়িতে। প্রদীপ বাবুর হাতে কোপও মারে দুর্বৃত্তরা। সেই ঘটনার বিচারের জন্য আইনজীবীদের দ্বারে দৌড়াতে গিয়েই দেখেন সুবিচার পাওয়া তার জন্য কঠিন হবে। তাই সিদ্ধান্ত নেন নিজেই আইন পড়ে নিজের মামলা লড়বেন। সেই চিন্তা থেকে স্কুল থেকে অনুমতি নিয়ে আইনে ভর্তি হন। যদিও এলএলবি পাশ করার আগেই ছাড়তে হয় স্কুলের চাকরি।
ওকালতির জন্য বার কাউন্সিলের অনুমতি পান ২০০১ সালে। এই দশ বছরেও মামলার তেমন একটা অগ্রগতি হয়নি। সরকারি আইনজীবীর সাথে মিলে নিজেই নিজের মামলা লড়তে শুরু করেন। এরপরও রায়ের জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে আরো ১৫ বছর। সব মিলিয়ে পুরো ২৫ বছর পরে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে সক্ষম হলেন প্রদীপ। নিজের মামলা লড়তে শেখা আইন শিক্ষা নিয়ে তিনি এখন গণমানুষের পাশে দাঁড়াতে চান।-আনন্দবাজার
ইত্তেফাক/এসএসএ
