শিমুল খান। ক্যারিয়ারে চলচ্চিত্রের তরুণ খলনায়ক হিসেবে এরইমধ্যে জনপ্রিয় মুখ তার। তবে এর বাইরেও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। নতুন বছরের শুরুতেই শিমুল একটি চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হলেন। তার সমসাময়িক ব্যস্ততা ও চলচ্চিত্রের বিভিন্ন প্রসঙ্গে নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে।
এখনকার ব্যস্ততা প্রসঙ্গে জানতে চাই—
এখন প্রায় ১২ টি ছবি নিয়ে ব্যস্ত আছি। ছবিগুলোর শুটিং চলছে। ৭টি ছবি মুক্তির অপেক্ষায় আছে। এছাড়াও মিজানুর রহমান লাবুর পরিচালনায় রুবাইয়াত হাসানের চিত্রনাট্য ও সংলাপে ‘৯৯ ম্যানশনে’ শিরোনামে নতুন একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। আগামী ১৫ তারিখ থেকে দেশের বাইরে শ্যুটিং শুরু হচ্ছে।
একসাথে এতগুলো ছবির শুটিং করছেন একসাথে— সিডিউল নিয়ে কি কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না?
হ্যাঁ, সিডিউল নিয়ে তো সমস্যায় পড়তেই হয়। কিন্তু কিছু করার নেই। যেহেতু এটি আমার পেশা। আর এই পেশা থেকে যা আয় হয় সেটা দিয়ে আমার সংসার চালাতে হয়। এমন যদি হতো ২-৩টি চলচ্চিত্রে কাজ করে আমার আর্থিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে তাহলে এতগুলো ছবিতে আমার কাজ করতে হতো না। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাটা যেদিন বড় হবে সেদিন হয়তো এতগুলো ছবিতে আর কাজ করতে হবে না।
বিদেশি অনেক ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রের গুরুত্বটা খুব ভালোভাবে উপস্থাপন করা হয়। অনেক সময় সেটি মূল চরিত্র হিসেবেও দেখা যায়। কিন্তু আমাদের এখানে নেতিবাচক চরিত্রের গুরুত্বটা কম কেন?
আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে নায়িকাদের মতো খলনায়কদের গুরুত্বও কম। খলনায়ক নির্ভর ছবি তৈরি করতে যেই চাহিদাটা তৈরি করতে হয় সেই প্রেক্ষাপট আমাদের দেশের এখনও তৈরি হয়নি। যেই কারণে শুধু খলনায়ক চরিত্র করে টিকে থাকা যাচ্ছে না। আমার কাছে খলনায়ক ছাড়াও নায়ক চরিত্রের জন্য প্রস্তাব আসে। কিন্তু আমি চাই না গতানুগতিক নায়ক চরিত্রের কাজ করতে।
নতুন বছরে নিজের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে কী ভাবছেন?
আমি সবসময় ইতিবাচক ধারণা রাখি নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে। সেই জায়গা থেকে ২০১৭ আমার ক্যারিয়ারের সময়টা খুব ভালো যাবে আশা করি।
ইত্তেফাক/এমএআর
