ইসি গঠনে আইন তৈরিতে রাষ্ট্রপতির অপেক্ষায় মন্ত্রী

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৭, ২১:২৮
আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য তাড়াহুড়ো করে আইন করা সংগত হবে না। কারণ এই আইনের সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া আছে। সে কারণে এই আইনটা চিন্তা-ভাবনা করে করা উচিৎ। এক্ষেত্রে আমি রাষ্ট্রপতির নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছি। 
 
বৃহস্পতিবার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ‘ই-প্রকিউরমেন্ট’ বিষয়ক কর্মশালা উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 
 
ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে নেয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের সাথে নির্বাহী বিভাগের কোন টানা পড়েন চলছেনা। প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে এ বিষয়ে দুবার চিঠি পেয়েছিলাম। দুবারই তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং আশা করি পুরাতন হাইকোর্ট ভবন থেকে ট্রাইব্যুনাল সরাতে হবেনা।
 
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত ব্যক্তিকে পলাতক দেখিয়ে বিচার করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে গাফিলতির জন্য যাদের নাম আসবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
এর আগে অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, তলাবিহীন ঝুরি থেকে আজ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিচারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং বর্তমান সরকারের আমলে বিচার বিভাগের প্রত্যেক বিচারক কোন না কোন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হবেন। আমাদের বিচার বিভাগকে অবশ্যই বিশ্ব মানের হতে হবে। আমাদের বিচারকগগণ যাতে পৃথিবীর উন্নত বিচার ব্যবস্থা থেকে কখনই পিছিয়ে না থাকেন কিংবা কখনই হীনমন্যতায় না ভোগেন সে কারণে বর্তমান সরকার তাঁদের প্রশিক্ষণের উপর জোড় দিয়েছে। 
 
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা। সেজন্যই তাঁদের বেতন-ভাতা ব্যাপক হারে বাড়ানো হয়েছে। কর্মশালায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. শেখ গোলাম মাহবুব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকও বক্তব্য রাখেন।
 
ইত্তেফাক/এমআই