কর্মদিবসে দিনের বেলা ফুটপাত ও রাস্তায় হকার বসা বন্ধ করতে রাজধানীর গুলিস্তান, মতিঝিল ও রমনা এলাকায় আজ দ্বিতীয় দিনের মতো অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
সিটি কর্পোরেশনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সোমবার অভিযান পরিচালিত হয়। গোলাপ শাহ মাজারের সামনে থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এ সময় গুলিস্তান, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকার ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
এ সময় অভিযানে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ হকারদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। অভিযান অব্যাহত রাখার ব্যাপারে সিটি মেয়রের আগের দিনের ঘোষণায় অনেক হকারই ফুটপাতের মালামাল আগেই সরিয়ে নিয়ে যায়। অভিযানের সময় ফুটপাতে থাকা হকারদের মালামাল রাখার চৌকি, একটি রাজনৈতিক দলের যুব সংগঠনের অফিসের একাংশসহ ফুটপাতে গড়ে তোলা কয়েকটি পাকা স্থাপনা ও বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ফুটপাতের ওপর থাকা বিআরটিসির একটি ভলভো বাসের কাউন্টারও সিটি কর্পোরেশনের বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
সিটি কর্পোরেশনের বুলডোজার, পে-লোডারসহ ১৫টি বাহন উচ্ছেদ কার্যক্রমে অংশ নেয় এবং এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ অভিযানের সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এদিকে এ অভিযানের প্রতিবাদে ডিএসসিসি মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন। দুপুরে নগর ভবনে সংগঠনের সভাপতি আবুল হাসেম কবীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মেয়রের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপির মাধ্যমে ১০ দফা দাবি জানায়।
পরে মেয়র সাংবাদিকদের বলেন, সিটি কর্পোরেশন তার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। হকারদের ফুটপাত দখল ছাড়তেই হবে। যেকোনভাবে ডিএসসিসি ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে। মেয়র বলেন, রাজনৈতিক নামধারী কেউ যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইত্তেফাক/এএম।
