দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাইদ খোকন বলেছেন, ‘আগামী ১ মার্চ থেকে পুরোনো ঢাকার ক্যামিক্যাল গোডাউনগুলো স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সকে এ ব্যাপারে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব সার্বিক কার্যক্রমে সহায়তা করবে।’ এ সময় তিনি জনস্বার্থে পরিচালিত এই ধরনের কার্যক্রমে যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ফায়ার হ্যাজার্ড ইন আরবান এরিয়াস: চ্যালেঞ্জ অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক এক গোল টেবিল বৈঠকে তারা এ মন্তব্য করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রি.জে. আলী আহাম্মেদ খান। এছাড়া অনুষ্ঠানে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩০টি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন এবং দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
বৈঠকে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে সংশ্লিষ্টজনরা দুর্যোগের সার্বিক বিপদ এড়াতে বিল্ডিং কোর্ড মেনে চলা, ওয়াটার সোর্স বাড়ানো, ইমার্জেন্সি নাম্বার সঞ্চয় করা, সাব স্টান্ডার্ড জিনিস ব্যবহার থেকে বিরথ থাকা, ট্রেড লাইসেন্স যাচাই করা, দোকান প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দেয়া, ফায়ার সার্ভিসকে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন নিয়ে আসা এবং দুর্যোগ পূর্ববর্তী সময়ে সচেতনা বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণ করার জন্য সুপারিশ করেন।
আনিসুল হক বলেন, প্রতি দুই হাজার মানুষে একজন ফায়ার সার্ভিসের মানুষ প্রয়োজন। কিন্তু দেড়কোটি মানুষের জন্য মাত্র ১৩ টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও পাঁচশত কর্মী রয়েছে যেখানে ৭ হাজার ৫০০ কর্মী ও ৫২ টি স্টেশন থাকার প্রয়োজন। একটা মহাযজ্ঞের মধ্যে আছি মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের প্রাকটিক্যাল ও পলিসি মেকিং করতে হবে এসময় তিনি সবসময় সচেতন থাকার জন্য বলেন।
ইত্তেফাক/এএম।
