ট্রাম্পবিরোধী নারী বিক্ষোভে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের দেবর

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০১৭, ০৯:২৮
 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নারীদের বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন ইভাঙ্কা ট্রাম্পের দেবর জশুয়া কুশনার। তার ভাই জারেড কুশনার (৩৬) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিনিয়র উপদেষ্টা। শনিবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর জশুয়া কুশনার পরদিন রবিবার হোয়াইট হাউসে তার ভাইয়ের শপথ অনুষ্ঠানে যান। এদিকে নারীদের বিক্ষোভে ছয় বছরের এক মেয়েকে দুটি ভাষায় ভাষণ দিতে গেছে। খবর ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের।
 
জশুয়া কুশনার দাবি করেছেন, তিনি কেবল বিক্ষোভ দেখতে গিয়েছিলেন, বিক্ষোভে অংশ নেননি। ওই বিক্ষোভে ৫ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে বলে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম জানায়। তার এই উপস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা চলছে। বিক্ষোভের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা ছয় ফুটের উপরে লম্বা জশুয়া কুশনারের (৩১) একটি ছবিও পোস্ট করা হয়েছে। দ্য ওয়াশিংটোনিয়ান ম্যাগাজিনের খাদ্য বিভাগের সম্পাদক জেসিকা সিডম্যান টুইটারে ছবি পোস্ট করে তার অনুসারীদের উদ্দেশে বলেন, এটা তো দেখছি জারেড কুশনারের ভাই। জারেড ইভাঙ্কা ট্রাম্পের স্বামী। পরে তিনি বলেন, জশুয়া কুশনার বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি কেবল বিক্ষোভ দেখতে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। জশুয়া ডেমোক্র্যাট দলের একজন সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট না দেওয়ার জন্য ভোট দান থেকেই বিরত থাকেন। গত আগষ্টে এ নিয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম স্কয়ার ম্যাগাজিনে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। তখন জশুয়া কুশনারের মুখপাত্র জানান, জশুয়া এমন কোনো মন্তব্য করতে চান না যা নিয়ে তার বড় ভাই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। তবে তিনি বরাবরই ডেমোক্র্যাট সমর্থক। এমনকি তার বান্ধবী কার্লে ক্লোসও ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
 
 
নারীদের বিক্ষোভে ছয় বছরের শিশু
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ছয় বছরের শিশু সোফি ক্রুস বক্তব্য দিয়েছে। শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে ইংরেজি ও স্প্যানিশ ভাষায় বক্তব্য দেয় সোফি। সে বলে, ‘আমাদের পরিবারগুলোকে রক্ষা করুন’। তার মা-বাবা মেক্সিকান। অভিবাসীদের তালিকায় তাদের নাম নেই। সে বলে, চলুন আমরা ভালবাসা আর বিশ্বাসের সঙ্গে লড়াই করি যাতে আমাদের পরিবারগুলোকে কেউ ভেঙে দিতে না পারে। সে শিশুদের উদ্দেশে বলে, আমাদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদের সঙ্গে ভালবাসার মানুষেরা আছেন। এছাড়া আছেন ঈশ্বর।
 
সোফি ২০১৫ সালে অভিবাসন সংস্কার নিয়ে পোপ ফ্রান্সিসকে একটি চিঠি লিখেছিল যাতে তার মা-বাবা এবং অন্যরা যাতে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারেন সেই ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানিয়েছিল। এছাড়া মা-বাবা ছাড়াই সে তত্কালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে হোয়াইট হাউসে সাক্ষাতের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে সামাজিক নিরাপত্তা নাম্বার না থাকার তারা হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতে পারেনি।