দুর্নীতির ধারণার সূচকে উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে স্কোর হয়েছে ২৬। ২০১৫ সালের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়েছে। ১৭৬টি দেশের মধ্যে নিম্নক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৫তম, আগে ছিল ১৩।
বার্লিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) বিশ্বজুড়ে দুর্নীতির যে ধারণা সূচক বা সিপিআই-২০১৬ (করাপশন পারসেপশনস ইনডেক্স) প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সেখানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, স্কোর ও অবস্থানের বিবেচনায় ২০১৬ সালে বাংলাদেশে দুর্নীতি কমেছে বলা যায়। তবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) দুর্নীতির ধারণার সূচক অনুযায়ী ১০০ এর মধ্যে ৪৩ স্কোরকে বৈশ্বিক গড় স্কোর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেসব দেশ এই স্কোর অর্জন করে সেসব দেশকে মধ্যম পর্যায়ের দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশের স্কোর যেহেতু ৪৩ থেকে অনেক কম তাই অধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশে থেকে এখনো বের হয়ে আসতে পারেনি।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সপ্তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের পরে আছে শুধু আফগানিস্তান।
টিআইয়ের সূচকে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় রয়েছে ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড। ১০০ এর মধ্যে দুই দেশেরই স্কোর ৯০। আর সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় রয়েছে সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান ও উত্তর কোরিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আলী ইমাম মজুমদার, ও এম. হাফিজউদ্দিন খান প্রমুখ।
সুলতানা কামাল বলেন, বাংলাদেশর স্কোর দুই বাড়ছে-কমছে এটা বড় বিষয় নয়। কারণ দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমরা একই জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছি। দুর্নীতি প্রতিরোধে আমাদের কঠিন সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। জনগণের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
ইত্তেফাক/এএসএস
