বাগমারায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুল শিক্ষক নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে তিনজনকে বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও একজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছেন।
নিহত স্কুল শিক্ষকের নাম সুমিত কুমার মণ্ডল (৪৮)। তিনি উপজেলার বড়বিহানালী ইউনিয়নের বড়কয়া গ্রামের মৃত সুবল চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে। সুমিত কুমার উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের কনোপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক।
আহতরা হলেন- শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের ধামিন কৌড় গ্রামের সামসুল ইসলাম (৪০), রিনা বেগম (৩৫), ইব্রাহীম হোসেন (৩৫) ও সিএনজি'র চালক রাজশাহীর ভদ্রা এলাকার শাহীন আলম (৪০)। শাহীন আলমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক সুমিত কুমার ও আহত গার্মেন্টস কর্মীরা ঢাকা থেকে শনিবার ভোরে রাজশাহীতে আসেন। রেলওয়ে স্টেশন থেকে শাহীন আলম নামের এক সিএনজি চালককে বাগমারা ভবানীগঞ্জ আসার জন্য ভাড়া করেন। সিএনজিটি ভবানীগঞ্জ বাজারের অর্ধ-কিলোমিটার দূরে নাটোর কোল্ডস্টোরেজের পার্শ্বে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাঁশভর্তি ট্রাকের সাথে ধাক্কা লাগে। বাঁশের মাথাগুলো সিএনজি ভেদ করে ভেতরে ঢুকে চালক শাহীন আলমের বুকে ও শিক্ষক সুমিত কুমারের দেহ ভেদ করে। ঘটনাস্থলেই শিক্ষক সুমিত কুমার মারা যান। এলাকার লোকজন সিএনজিতে থাকা আহতদের উদ্ধার করে বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চালক শাহীন আলমের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ঘটনার পর পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত সিএনজিটি আটক করলেও ট্রাকের চালক পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার ওসি তদন্ত আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, 'দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজিটি উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রাকের চালক পালিয়ে যাওয়ার কারণে তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।' ওই ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
ইত্তেফাক/এসএস
