দরিদ্র নারীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতামূলক কাজে সম্পৃক্ত করলে আয় প্রায় দ্বিগুণ বাড়ে। ২০১৪ সালে ১৪০০ জন নারীর ওপর পরিচালিত ব্র্যাক গবেষণা জরিপে দেখা যায়, যেসব নারীর গড় আয় ২০০০ টাকা ছিল, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতামূলক কাজের কারণে ২০১৫ সালে তা বেড়ে গড়ে ৪০০০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক নারী হয়েছেন সফল উদ্যোক্তা। আর অর্থনৈতিক সক্ষমতার বাড়ার ফলে পরিবার ও সমাজে তাদের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা।
রবিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: কেন জেন্ডার গুরুত্বপূর্ণ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ গবেষণা তথ্য তুলে ধরা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগিতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক এ বৈঠকের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা শারমীন বেনু। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেলিগেশন অফ দি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন টু বাংলাদেশ এর হিউম্যান অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এর মিনিস্টার কাউন্সিলর ইয়রগেন হেইম্যান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেইঞ্জের পরিচালক কেএএম মোর্শেদ।
‘নারায়ণগঞ্জে দরিদ্র ও অবহেলিত নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা : প্রভাব ও মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন ব্র্যাকের গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট ইউনিটের সমন্বয়কারী অ্যান্ড্রু জেনকিন্স, একই বিভাগের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট সাফায়েত খান ও রিসার্চ ফেলো ফাতেমা জহুরা খাতুন।
ইত্তেফাক/এমআই
