দুর্নীতির মামলায় ২ ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৩ জন গ্রেফতার

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০১৭, ২১:৪৪
ভিন্ন ভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সোমবার দুইজন ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। খাগড়াছড়ি, আখাউড়া ও নোয়াখালী জেলার মাইজদীতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ তিনজন হলেন- আখাউড়ার সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এন্ড সেকেন্ড অফিসার মোতাহার হোসেন মোল্লা, মাইজদী থেকে ইউসিবিএল ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ) মফিজুল ইসলাম খন্দকার ও  খাগড়াছড়ি থেকে ঠিকাদার অমলেন্দু চাকমা।
 
দুদক সূত্রে জানা গেছে, সোনালী ব্যাংক লি. এর আখাউড়া শাখার সিনিয়র অফিসার এন্ড সেকেন্ড মোতাহার হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল থানায় সোনালী ব্যাংক লি. এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার পেনশন গ্রহণকারী পেনশনারদের নামে ভুয়া/অতিরিক্ত বিলের মাধ্যমে সরকারি ১৬ কোটি ৬ লাখ ২ হাজার ৯শত বাষট্টি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। ওই মামলায় দুদকের কুমিল্লার উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ এর নেতৃতে সহকারী পরিচালক মো. নুরুল হুদা তাকে সোমবার সকালে গ্রেফতার করেন। 
 
এদিকে মাইজী থেকে গ্রেফতারকৃত মো. মফিজুল ইসলাম খন্দকার এর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৪৩ লাখ ৯১ হাজার ৪ শত ৮৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা রয়েছে। তিনি ইউসি বিএল এর ফেনী শাখায় থাকাকালে ফেনী শাখার জিএল হিসাব হতে ওই টাকা জনৈক কাজী সাইফুর রহমানের হিসাবে স্থানান্তর করে পরবর্তীতে উত্তোলন পূর্বক আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই মামলায় দুদকের নোয়াখালীর উপপরিচালক মো. তালেবুর রহমান এর নেতৃতে উপসহকারী পরিচালক হোসাইন শরীফ তাকে গ্রেফতার করেন। 
 
অপর দিকে ঠিকাদার অমলেন্দু চাকমার বিরুদ্ধে মাটিরাঙ্গা (খাগড়াছড়ি) থানায় একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন গোমতি হতে মাইন উদ্দিন মেম্বার পাড়া যাওয়ার রাস্তায় খালেক মেম্বারের বাড়ি সংলগ্ন খালের উপর ‘৪০ ফুট দীর্ঘ সেতু’ নিমার্ণ প্রকল্পের টেন্ডারে ঠিকাদার অমলেন্দু চাকমা কর্তৃক ৩ লাখ ৫ হাজার টাকার অগ্রণী ব্যাংকের ভুয়া ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লাভবান হয়েছেন। দুদকের রাঙ্গামাটি এর উপপরিচালক সফিকুর রহমান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে উপসহকারী পরিচালক মো. আবুল বাশার তাকে গ্রেফতার করেন। 
 
ইত্তেফাক/এমআই