চালক হত্যা: চার আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০১৭, ১৩:৫০
 
রেন্ট এ কারের চালক খুনের মামলায় চার আসামির ফাঁসি বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে এদের প্রতি অনুকম্পা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহীদুল করিমের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রায় দেয়। 
 
রায়ে আসামি তৈয়ব আলম, আনোয়ার হোসেন, আহমদ শরীফ ও শাহীন ওরফে গড্ডুর ফাঁসির রায় বহাল রাখে হাইকোর্ট। তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরেক আসামি বিল্লাল হোসেন ওরফে সুমনকে খালস দেয়া হয়। 
 
২০০০ সালের ১ জুন চালক জাবেদ হোসনকে খুনের ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে নিহতের বড় ভাই মোহম্মদ মকবুল হোসেন। মামলার এজাহারে মকবুল বলেন, আমার ভাই ঢাকার মুক্তাঙ্গনের মাইক্রোবাস ও কার মালিক সমিতির প্রাইভেটকার চালাতো। ২৭ মে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পাঁচজনকে নিয়ে তিনি লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন। এরপর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে নোয়াখালী চাটখিল থানার পুলিশ প্রাইভেটকারসহ চারজনকে আটক করে। আটককৃতরা সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। পরে আমি প্রাইভেটকারটি চিহ্নিত। আটককৃতদের জিজ্ঞাসবাদ করলে তারা ঘটনার দায় স্বীকার করেন। তারা বলেন, জাভেদ হোসেনকে রামগঞ্জ থানার চণ্ডিপুর-ওবদার সংযোগ খালপাড়ে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ পানিতে ফেলে দেয়া হয়। 
 
এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২০১১ সালের ২২ মে পাঁচ আসামিকে ফাঁসির আদেশ দেয় আদালত। মামলার ডেথ রেফারেন্সের আপিল শুনানি শেসে আজ হাইকোর্ট উপরোক্ত রায় দেয়। 
 
রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ শুনানি করেন। আসামিপক্ষে ছিলেন এস এম মুক্তার কবির খান। 
 
 
ইত্তেফাক/এএসএস