কুইবেকে হামলা : অভিযুক্ত আলেকজান্ডার সম্পর্কে কিছু তথ্য

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১২:৪০
 
কুইবেকের উপশহর সান্তা ফয়ের মসজিদে ৬ ব্যক্তি হত্যার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত ২৭ বছর বয়স্ক আলেক্সান্দ্রে বিসোনেত্তে বিরুদ্ধে আরো কিছু তথ্য জানা গেছে। হামলার পর লাভাল বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালেকজান্ডারের সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। মামলা চলাকালীন পর্যন্ত এ নির্দেশ বহাল থাকবে। সে পার্টটাইম চাকরি করতো হেমা-কুইবেক নামক একটি কল সেন্টারে।
 
হেমা-কুইবেক বলছে, জীবন বাঁচানোর মতো একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি এই হামলা চালানোয় প্রতিষ্ঠানটি খুবই ব্যথিত।
 
ফ্রেঞ্চ বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান অ্যালেকজান্ডার কুইবেকের বাসিন্দা এবং যমজ ভাইয়ের সঙ্গে একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতো। তার এক প্রতিবেশী তাকে খুবই অন্তর্মুখী বলে জানিয়েছে।
 
অন্যদিকে হামলার পর দু’জনকে আটক করা হলেও মোহামিদ খাদির নামের যুবকে ছেড়ে দিয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে জড়িত নয় এটা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
 
সে এ লেভেলের শিক্ষার্থী। ছোটবেলায় সে ২০০-২০০৪ মধ্যে কুইবেক শহরের এলাকায় ক্যাডেট প্রোগ্রামে ছিল। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্র্যাম্পের ফার রাইট পন্থি (অধিক ডানপন্থী) সমর্থক। তার ফেসবুক থেকে জানা যায় সে, একজন মাল্টি কালচারাল বিরোধী কট্টরপন্থী হিসেবেও নিজেকে তুলে ধরেন। সে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে হামলাকারী নিজেই পুলিশকে ফোন করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জানান এবং তিনি তার অবস্থান জানান তাকে গ্রেফতার করার জন্য। তার বিরুদ্ধে ১১ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
 
গত সোমবার কুইবেক শহরের বিচারালয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাঠ করার সময় সে মাথা নিচু করে ছিল, তাকে কোন আবেগ প্রবণ হতে দেখা যায়নি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আলেকজান্ডারকে আবার আদালতে হাজির করা হবে।
 
ইত্তেফাক/আরএ