এবার গীতিকারের সম্মাননা পেলেন রিজভী

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ০১:১২
রাজধানীর শাহবাগের কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে ২ ফেব্রুয়ারি  অনুষ্ঠিত হলো বাংলার সঙ্গীত পারফরমেন্স অ্যাওয়ার্ড ও লোকগানের আসর। এতে গীতিকার হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন লেখক-সাংবাদিক-গীতিকার রেজাউর রহমান রিজভী। 
 
লিপু খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রিজভীর হাতে সম্মাননা তুলে দেন পীরজাদা শহীদুল হারুন, অতিরিক্ত অর্থ সচিব এবং মো. হারুন-অর-রশিদ (সিআইপি), চেয়ারম্যান এশিয়ান গ্রুপ ও এশিয়ান টিভি। এ সময় বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে সফল অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের মাঝেও সম্মাননা দেয়া হয়। 
 
সম্মাননা পাওয়া প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘সাংবাদিকতা ও বিনোদন সাংবাদিকতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে এর আগেও বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছি। তবে গীতিকার হিসেবে পাওয়া সম্মাননা এটিই প্রথম। এটি আগামীতে আমার কাজে আরো উৎসাহ জোগাবে।’ 
 
 
প্রসঙ্গত, গীতিকার হিসেবে সংগীতাঙ্গনে রিজভীর পদচারণা ২০১৩ সাল থেকে। মাত্র এই কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি অর্ধ-শতাধিক একক ও মিক্সড অডিও অ্যালবামে গান লিখেছেন।
 
রিজভীর লেখা জনপ্রিয় কিছু গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাকিব মোসাব্বিরের ‘সুখ পাখি’, পুলকের ‘নন্দিনী’, আমিরুল মোমেনীন মানিকের ‘স্মৃতি’, অভী তালুকদারের ‘বন্ধু কি আসিবে ফিরিয়া’, এফএ সুমনের ‘ভুলিনি আমি তোমায়’, সোমচন্দা-দীপুর ‘ভুলের খেয়া’, তানভীর তারেকের ‘নয়না’,  বেলাল খান-নওরীনের ‘হৃদয়ের এই সীমানায়’, তন্ময় দাস-গোপীকা গোস্বামীর ‘জানি এ মনে তুমি’,  ফারাবী-শাহেদের ‘ফাগুন রাতে’, নমনের ‘যদি বলো’, মাহমুদ সানী-তামান্না প্রমির ‘বৃষ্টি’প্রভৃতি।
 
ইত্তেফাক/ইউবি