নাটোরে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ২১:১১
নাটোরে স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণের দায়ে মনিরুজ্জামান নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরের বোন নিশাত সুলতানাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রেজাউল করিম রবিবার দুপুরে এই রায় দিয়েছেন।
 
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে লালপুর উপজেলার দয়ারামপুর পাবলিক স্কুলের এক শিক্ষার্থী প্রতিবেশী নিশাত সুলতানার কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। সেই সুবাদে নিশাতের ভাই মনিরুজ্জামান মনির সাথে পরিচয় হয় ওই শিক্ষার্থীর। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে মনিরুজ্জামান বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দৈহিক সর্ম্পক গড়ে তোলে। এতে ওই মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। পরে মনিরুজ্জামানকে বিয়ের জন্য বললে সে অস্বীকার করে। ইতোমধ্যেই ওই ছাত্রী সন্তানের জন্ম দেয়। পরে একই বছরের ১২ নভেম্বর তার মা বাদী হয়ে মনিরুজ্জামান ও তার বোন নিশাত সুলতানার বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে উপস্থাপন হলে স্বাক্ষ্য প্রমান শেষে বিচারক রেজাউল করিম রবিবার এই রায় ঘোষণা করেন। 
 
রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন আয়েশার গর্ভে ভুমিষ্ট সন্তান যতদিন সাবালক না হবে রাষ্ট্র ততদিন তার ভরণ-পোষণ করবে। নাটোর কোর্টের পিপি সিরাজুল ইসলাম রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
 
ইত্তেফাক/এএম।