অগ্রণী ব্যাংক লি. এর মুক্তিযোদ্ধা কোটায় শূন্য পদে সিনিয়র অফিসার (বিশেষ) হিসাবে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর দেয়া স্থিতাবস্থা প্রত্যাহার করে নিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রিটকারী পক্ষ মামলাটি পরিচালনা করতে ইচ্ছুক না থাকায় তাদের আবেদনও খারিজ করে দেয়া হয়েছে।
বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন।
২০১৫ সালের ১ এপ্রিল অগ্রণী ব্যাংক লি. শূন্য পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সিনিয়র অফিসার পদে (বিশেষ) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। ওই বছরের ৮ মে অংশগ্রহণ কারীর চেয়ে প্রশ্নপত্র কম থাকায় পরীক্ষা বাতিল করা হয়। পরে একই বছরের জুলাই মাসের ৩ তারিখ ছয় হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে ১ হাজার ৩৮৪ জন উত্তীর্ণ হয়। যাচাই বাছাই করে ১ হাজার ১৫৮ জনকে মৌখিক পরীক্ষায় মনোনীত করা হয়। একই বছরের ২২ মে থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত ১ হাজার ২৬ জনের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে ৬৫৫ জনকে নির্বাচিত করা হয়। পরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে শান্ত চক্রবর্তীসহ ৫২ জন হাইকোর্টে রিট করেন। গত বছরের ১৫ নভেম্বর হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর স্থিতাবস্থা জারি করে। সোমবার রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরু ও ব্যাংকের পক্ষে সৈয়দ হাসান জুবায়ের মামলা পরিচালনা করেন।
ইত্তেফাক/এমআই
