ঢাকা-বড়িশাল মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলাধীন রতখোলা নামক স্থানে মঙ্গলবার ভোর রাতে হানিফ পরিবহনের গাড়িতে দুধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। এ সময় এক বৃদ্ধাসহ সাত জন আহত হয়।
এ ব্যাপারে গাড়ির আহত এক যাত্রী জানান, হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস রাত দশটায় ঢাকা থেকে ভাণ্ডারিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে।পথিমধ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উল্লেখিত স্থানে পৌঁছুলে পুর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা ডাকাত দল রাস্তায় গাছ কেটে ফেলে বেরিকেড তৈরি করে। এভাবে তারা হানিফ পরিবহনের গতি রোধ করে। তারপর যাত্রীদের মারধোর করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়।
এ সময় স্বর্ণালংকার খুলে দিতে দেরি হওয়ায় ডাকাত দলের এক সদস্য বৃদ্ধা যাত্রী গুলনাহার বেগমকে (৭৫) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।
খবর পেয়ে মহাসড়কে টহলরত মুকসুদপুর পুলিশ এগিয়ে এলে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। আহত গুলনাহার ও হায়দার মিয়া (১৭) কে রাজৈর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহত অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়।
আহত গুলনাহার ও হায়দার মিয়ার বাড়ি বরিশালের ভাণ্ডারিয়া এলাকায়।
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে মুকসুদপুর থানার ওসি মোঃ আজিজুর রহমান ডাকাতির বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান। নিকটতম সিন্দিয়াঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির আই সি মোঃ জালাল মিয়াও কিছু জানে না বলে জানান।
বিশ্বস্ত সুত্র জানায়, পুর্বে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদসরা রাতে এ অংশে টহল দিতো। কিন্তু বর্তমানে ঐ টহল দেয়া নিয়ে জেলা পুলিশ ও নৌ পুলিশের দ্বিমত দেখা দেয়ার পর থেকে এ অংশে ডাকাতি বৃদ্ধি পায়।
গত দু্ই মাসে ডাকাতির স্পট বলে খ্যাত রথখোালা এলাকায় কমপক্ষে ৩টি ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন
