ভেনেজুয়েলার ভাইস-প্রেসিডেন্টকে নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের’ অভিযোগ

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৮:৪৪
মাদক পাচারের সঙ্গে কথিত সংশ্লিষ্টতায় ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট টারিক এল আইজামিকে কালো তালিকাভুক্ত করার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন’ চালানোর অভিযোগ করেছেন। এদিকে সহকর্মীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
 
মাদক ও অর্থ পাচারের অভিযোগে প্রেসিডেন্টে নিকোলাস মাদুরোর সরকারের শীর্ষ এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই প্রথম নিষেধাজ্ঞা জারি করলো ট্রাম্প প্রশাসন। চলতি মাসের শুরুতে ৩৪ জন মার্কিন কংগ্রেসম্যান এক চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ভেনেজুয়েলার সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব দেন। পরে এ প্রস্তাব অনুযায়ী ট্রাম্পের অনুমোদন সাপেক্ষে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হল। সোমবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফরেন নরকোটিকস কিনপিং ডেজিগনেশন অ্যাক্টের আওতায় এল আইজামির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তার সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত হবে। তিনি আর মার্কিন মুলুকে ঢুকতে পারবেন না।
 
নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় আইজামি বলেন, ‘‘এটা ‘কুৎসামূলক আগ্রাসন’। তারা কোনোদিনই আমদের চিরকালের জন্য মুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে ভাঙ্গতে সক্ষম হবে না।’’ এদিকে সহকর্মীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা তার প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছেন বলে মাদুরো প্রায়ই অভিযোগ করেন।
 
প্রসঙ্গত, গত মাসে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান টারিক। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর অনুমোদনে তার নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। এর আগে ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি স্থানীয় অ্যারাগুয়া রাজ্যের গভর্নর ছিলেন। মাদুরো সরকারের স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ও সামলেছেন। সরকারে তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির