গতকাল শনিবার মেলায় এসেছিলেন ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন। ইত্তেফাককে তিনি বলেন, এবার মেলা আকারে বড় হয়েছে। পাঠকদের সময় নিয়ে বই দেখবার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, এখন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যেসব বই লেখা হচ্ছে তার অধিকাংশই চর্বিতচর্বন। আত্মস্মৃতিমূলক লেখা ও গবেষণা খুব কম। নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে সেই জনযুদ্ধের ওপরে কেউ আলো ফেলছেন না। শঙ্কার বিষয় হচ্ছে গবেষণাধর্মী কাজ কম হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, শুধু মুক্তিযুদ্ধ কেন, এখন মননশীল বই-ও খুব কম। আহমদ শরীফ, সরদার ফজলুল করিম- সেই মানের মননশীলতার চর্চা করেন-এমন লেখকই কমে গেছে। দেশে গবেষণার কাঠামো নেই, পৃষ্ঠপোষকতা নেই। যারা গবেষণা করে বই প্রকাশ করে তারা কোনো প্রণোদনাও পান না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কোনো প্রণোদনা দেয় না। কিন্তু সৃষ্টিশীল মানুষদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।
এবারের বইমেলায় অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের চারটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ‘ঊনিশ শতকে পূর্ববঙ্গে ব্রাহ্ম আন্দোলন’ বইটি প্রকাশ করেছে অনন্যা, ‘ঢাকার স্মৃতি-১৮’ এনেছে মাওলা ব্রাদার্স, ‘রাজাকারের মন’ পরিবর্ধিত সংস্করণ ও ‘উনিশ শতকের থিয়েটার চর্চা’ এসেছে সময় থেকে। আর ‘হারিয়ে যাওয়া দেশ’ প্রকাশ করেছে জার্নিম্যান পাবলিকেশন্স।
ইত্তেফাক/নূহু
