বইমেলায় প্রবাসী তরুণ লেখকের ‘অতঃপর মৌমিতা’

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৭:৩১

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রবাসী লেখক ও সফটওয়্যার প্রকৌশলী রাজীব হাসানের নতুন উপন্যাস ‘অতঃপর মৌমিতা’ প্রকাশিত হয়েছে। 

 

বইটি পাওয়া যাচ্ছে বাংলা একাডেমির বই মেলা প্রাঙ্গণের বইপত্র প্রকাশনীতে (স্টল- ৬২৯-৬৩০)। 

 

অতঃপর মৌমিতা উপন্যাসের কিছু কথা : আমেরিকায় স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষে সিলিকন ভ্যালিতে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদেয় দীপ্ত। দেশে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়র ব্যাচের মৌমিতার সঙ্গে ছিল দীপ্তর ভালোবাসা। তারপর পরিণয় থেকে শুরু হয় সংসার। মৌমিতাও পাড়ি জমায় আমেরিকায়। বাড়ে দীপ্তের ব্যস্ততা। একা হতে থাকে মৌমিতা। কিন্তু কতদিন এই একাকিত্ব? সময় কাটাতে মৌমিতায় যোগ দেয় একটি স্টার্টআপ কোম্পানিতে।  চাকরির ব্যস্ততায় ধীরে ধীরে দূরে সরতে থাকে দুজন-ই। এরইমধ্যে সিলিকন ভ্যালিতে মৌমিতার সঙ্গে পরিচয় হয় জমিদার বাড়ির ছেলে অজিতের। ধীরে ধীরে গভীর হয় বন্ধুত্ব। দীপ্তের কাছে প্রথম দিকে এটা ছিল নিছক বন্ধুত্ব। অজিতের সঙ্গে মৌমিতার এই বন্ধুকে অসামাজিক মনে করতে থাকে দীপ্তর মা। সংসারে অশান্তির বাতাস লাগে। ধীরে ধীরে সে বাতাস ঝড়ে রূপ নেয়। নানা ভাবনা থেকে বাড়তে থাকে মানসিক দ্বন্দ্ব; বোঝাপড়ার অমিল। এই অমিল তাদের দুজনার পথকেও করে দেয় ভিন্ন। 

 

অন্যদিকে সংসার ও বন্ধুত্ব দুটোই মনের ভেতর চাপা আগুন হয়ে জ্বলে মৌমিতার। সব ছেড়ে এক সময় মৌমিতা বেছে নেয় কুমিল্লার অদূরে চণ্ডিমুড়াকে। যেখান থেকে একটি পাহাড়ের শুরু ও শেষ দেখা যায়।  কিন্তু হারালেও কতদূর! মানচিত্রের দূরত্ব বাড়লেও অজিতের বন্ধুত্ব তাকে বেশিদূর যেতে দেয়নি। অজিত তার মার্কিন বন্ধু জ্যাককে নিয়ে হাজির হয় প্রত্যন্ত চণ্ডিমুড়ায়।

 

মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী মেয়ে মৌমিতা। জীবনে দেখেছে নানা চরাই উৎরাই । তবে কেমন যাচ্ছে মৌমিতাকে ছাড়া দীপ্তের জীবন? বন্ধু অজিতের ভাবনাই বা কেমন? আর কেমনইবা পাহাড়ি কন্যা মৌমিতার জীবন?

 

ইঞ্জিনিয়ার রাজীব হাসানের   ২০১৬ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বের হয়েছিল ‘অতঃপর রোবট উপন্যাস ’।

 
লেখক পরিচিতি : রাজীব হাসান ১৯৮৪ সালের কুমিল্লা জেলার, বরুড়া থানা জন্মগ্রহণ করেন। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর শেষে বাংলাদেশে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। লন্ডন থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জনের পর সফটওয়ার নিয়ে কাজ করা ছাড়াও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি মিডিয়া অঙ্গনেও। এনটিভি ইউরোপের বার্তাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি বর্তমানে।  পাশাপাশি ইউকে বাংলা প্রেসক্লাবের ফাউন্ডার মেম্বার  তিনি। সাংবাদিকতা ছাড়াও নিজেকে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রেখেছেন তিনি ব্রিটেনের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। টেকলজ ফার্মের চিফ এক্সিকিউটিভের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের বেশকিছু অনলাইন স্টার্ট আপ রয়েছে তার।
 
ইত্তেফাক/উজ্জল