দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গতকাল রবিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার সাথে জড়িত খন্দকার মোশতাক আহম্মেদের গ্রামের বাড়ি দাউদকান্দির দশপাড়া থেকে তার বসতভিটা উচ্ছেদ ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও অবস্থান ধর্মঘট পালিত হয়।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহীদনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে খুনি খন্দকার মোশতাকের বাড়ি দশপাড়ায় যেতে চাইলে ষোলপাড়া এলাকায় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে বিক্ষোভ মিছিলটি। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে মিছিলটি মোশতাকের বাড়ি অভিমুখে যেতে চাইলে পুলিশ ফাঁকাগুলি বর্ষণ করে। ফাঁকা গুলিবর্ষণের কারণে হুড়োহুড়ি করে দৌড়াতে গিয়ে মিছিলের নেতৃত্বদানকারী দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং খবর সংগ্রহকালে স্থানীয় ১ জন সাংবাদিকসহ ৫ জন আহত হন।
বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান ধর্মঘটে বক্তব্য রাখেন দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও উপজেল পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন, মেঘনা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, দাউদকান্দি পৌরসভার মেয়র নাঈম ইউসুফ সেইন, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডাভোকেট আহসান হাবিব চৌধুরী লিল মিয়া, সহ-সভাপতি সাংবাদিক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম, উপজেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি রকিব উদ্দীন আহম্মেদ রকিব, যুবলীগ নেতা হেলাল মাহমুদ, ছাত্রলীগ সভাপতি নয়নসহ আওয়ামী লীগ, শ্রমিকলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
বক্তরা বলেন, ঐতিহাসিক জেলা ‘কুমিল্লা’র নিজস্ব নাম আড়াল করে ‘ময়নামতি’ নামটি বিভাগের নাম ঘোষণার একমাত্র কারণ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘কুমিল্লা’ নামটি পছন্দ করেন না। কারণ হতে পারে বঙ্গবন্ধুর খুনি খন্দকার মোশতাকের বাড়ি কুমিল্লায়। এই খুনির বাড়ি কুমিল্লা থেকে উচ্ছেদ এবং সম্পদ বাজেয়াপ্তের দাবি জানাচ্ছি। এই খুনির অপকর্মের দায় কুমিল্লার সাধরণ মানুষ নেবে না বলেও জানান বক্তারা।
ইত্তেফাক/নূহু
