নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় পুলিশের ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলায় ১৩ পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিলে উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ ওলামালীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। পৌরসভার সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাবেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুল হাসান ভূঞার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট আব্দুর কাদির ভূঞা, পৌর মেয়র ও আওয়ামীলীগ নেতা আসাদুল হক ভূঞা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু তাহের, আওয়ামী লীগ নেতা ও ভাইস চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন ভূঞা, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল, গন্ডা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান সনজু মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক জাকির আলম, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান বিপুল, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম ভূঞা, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল আহম্মেদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আবীর আহম্মেদ খান রুজেল, জুনায়েদ আহম্মেদ, আবুল মনসুর আহম্মেদ ভূঞা ও আপেল মাহমুদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে পৌর শহরের আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কর্মীসভার আয়োজন করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। খবর পেয়ে পুলিশ সভাস্থলে গিয়ে সভাবন্ধের নির্দেশ দিলে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সে নির্দেশ মানেনি। একপর্যায়ে পুলিশ সভায় বাধা দিলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। এতে ১৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানার এসআই গোপাল কৃষ্ণ দাস বাদী হয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম হিলালী ও সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ভূঞা দুলালসহ ৫ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ৬২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ইত্তেফাক/মাহমুদুল
