প্রতিষ্ঠান-ব্যক্তির ঋণ মওকুফের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৭, ১৯:২৫
২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোন কোন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ঋণ মওকুফ করা হয়েছে তার একটি তালিকা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী এক মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গর্ভনরকে এই তালিকা দাখিল করতে বলা হয়েছে। 
 
হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। এছাড়া ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৮ (১) ও ৪৯ (চ) ধারা মোতাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ মওকুফের ক্ষমতা কেন অসাংবিধানিক হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। অর্থ সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগের সচিব, আইন সচিব, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্ণর, মহাহিসাব নীরিক্ষক, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং অপারেশন বিভাগের মহাব্যাস্থাপককে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 
 
বুধবার হাইকোর্টের এই আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এসএম মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, উপরোক্ত আদেশ ছাড়াও ঋণ মওকুফ পাওয়া প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন কিনা, করে থাকলে তার পরিমাণ উল্লেখ করে একই সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
 
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকায় ‘খেলাপি ঋণ দেখিয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা গায়েব’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন আমলে নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শামস-উদ-দোহা। 
 
ইত্তেফাক/মাহমুদুল