দেশে সিজারিয়ান অপারেশনে সন্তান প্রসবের হার বেড়েছে:সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৭, ০০:৩৬

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সংসদকে জানিয়েছেন, দেশে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার বাড়ছে। ২০১১ সালের তথ্য অনুযায়ী সিজারিয়ান অপারেশনে সন্তান প্রসবের হার ছিল ১৫ শতাংশ। ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁঁড়ায় ২৩ শতাংশে। অর্থাত্ তিন বছরে এ হার ৮ শতাংশ বেড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য এম. আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভের উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মোহাম্মদ নাসিম জানান, সরকারি হাসপাতালের তুলনায় প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের              হার অনেক বেশি। সরকারি হাসপাতালে প্রসবসেবা বাড়ানোর মাধ্যমে প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের হার কমানোর লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে প্রসূতি সেবা বাণিজ্যের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আবদুল লতিফের আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রথম সারির গুণগত মানসম্পন্ন ৩০টি ওষুধ উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান দেশের চাহিদার ৯০ ভাগ পূরণ হয়ে থাকে। বাকি ১০ শতাংশ ওষুধ অন্যান্য মাঝারি ও  ছোট  উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। বেগম আখতার জাহানের এক প্রশ্নের জবাবে নাসিম সংসদকে জানান, ‘কিডনি, ডায়ালাইসিস ও নিউরো সার্জারি চিকিত্সা অত্যন্ত জটিল, ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ বিধায় উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে ওই সুবিধা দেয়া সম্ভব হয় না।’

এর আগে ২৫ মার্চ কে জাতীয় গণহত্যা দিবস ঘোষণা এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন আয়োজিত কর্মচারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হতে পারে এমন কোনো কর্মসূচি গ্রহণ থেকে বিরত থাকার জন্য সকল পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।

সংগঠনের সভাপতি ওয়ারেস আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন দুরারোগ্য ব্যাধি ডিএমডিতে আক্রান্ত দুই ভাই শিপন ও সোলায়মানকে দেখতে যান।

ইত্তেফাক/নূহু