গাবতলীতে ভাঙচুর: রিমান্ড শেষে ৭ শ্রমিক কারাগারে

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৭, ২০:৪৪
পরিবহন ধর্মঘট চলাচালে রাজধানীর গাবতলীতে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, শ্রমিক নিহত ও পুলিশের উপর হামলা ঘটনায় দায়ের করা ৫ মামলায় শনিবার পর্যন্ত নতুন করে কেউ গ্রেফতার হয়নি।
 
এ দিকে হামলার সময় গ্রেফতার হওয়া ৭ শ্রমিককে এক দিনের রিমান্ড শেষে আজ দারুস সালাম পুলিশ আদালতে হাজির করে। পুনঃরিমান্ডের আবেদন না থাকায় আদালতের নির্দেশে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ দিকে গ্রেফতার আতঙ্কে আজও বিশেষ করে ট্রাক শ্রমিক নেতারা এলাকায় দেখা যায়নি। বন্ধ রয়েছে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের অফিসগুলো।
 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একধিক শ্রমিক বলেছেন, দারুস সালাম থানায় দায়ের করা মামলায় ৭৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর অজ্ঞাত আসামির সংখ্যা দুই হাজারের উর্ধ্বে। ফলে শ্রমিকরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করেছেন।
 
পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলার ও গ্রেফতার আতঙ্কের ব্যাপারে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা ইত্তেফাককে বলেন, শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন বলেছে। সেটা তারা করতেই পারে। কিন্তু অন্যদের তো বাধা দিতে পারেনা। গাবতলীতে পুলিশ বক্স ও রেকাকে আগুন দেয়ার ঘটনা দুঃখজনক। এটা তারা কোনো অবস্থায় করতে পারেনা। সে দায়ও মালিক পক্ষ কিংবা  আমরা নেবনা। ফলে পুলিশ দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই পারে।
 
তিনি বলেন, মামলার আসামিরা যেহেতু আমাদের শ্রমিক। তারা যদি মালিকপক্ষের সহযোগিতা কিংবা পরামর্শ চান তখন আমরা পরামর্শ দিতে পারি।
 
প্রায় একই ধরনের কথা বলেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব  খন্দকার এনায়েত উল্ল্যহ। তিনি বলেন, পরিবহন ধর্মঘটের নামে গাবতলীতে যা হয়েছে তা লজ্জাস্কর।
 
দারুস সালাম অফিসার ইনচার্জ দারুস সালাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিমুজ্জামান বলেন, আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এ পর্যন্ত নতুন করে কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। রিমান্ডে থাকা সাতজনকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের নির্দেশে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/মণ্ডল