আহসান হাবিব নাসিম। অভিনেতা পরিচয়ের পাশাপাশি এখন তার নতুন পরিচয় ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’-এর সাধারণ সম্পাদক তিনি। সংগঠনটির কার্যক্রম প্রসঙ্গের পাশাপাশি নাটকের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
এখনকার ব্যস্ততা—
এখন তো অভিনয়ের পাশাপাশি সংগঠন নিয়ে ব্যস্ততা বেশি চলছে। সংগঠনটির সবকিছু গুছিয়ে নিতেই এখন ব্যস্ত আছি।
প্রায় ১ মাস হয়ে গো নির্বাচনের। আপনাদের কার্যক্রমগুলো প্রসঙ্গে বলুন—
প্রথমেই আমাদের কার্যালয় নিয়ে কাজ চলছে। কিছুদিনের মধ্যেই আমরা নির্দিষ্ট কোনো কার্যালয় নেবো। এটি এখন খুব জরুরি। কারণ সবাই একসাথে বসার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা দরকার। এছাড়া আমরা বেশকিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। সেগুলো আগামী ১ মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করবো। এরমধ্যে সদস্য কার্ড, অভিনয়শিল্পীদের সুবিধার বিষয়গুলো নিশ্চিত করা, একটি কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা ইত্যাদি।
সংগঠন থেকে আপনারা কোনো নীতিমালা করছেন কি-না?
হ্যাঁ, নীতিমালা তো অবশ্যই করবো। নাটকের শিল্পীদের শুটিংয়ের সময়, সম্মানীর বিষয় নিশ্চিত করা। মূলত সবকিছুই আমরা একটি নীতিমালার মধ্যে আনবো। এরমধ্যে থাকবে বিশেষ দিবসগুলোতে কোনো শুটিং থাকবে না। ওইদিন আমাদের নিজস্ব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেখানে আমাদের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।
সরকারের এ বিষয়ে কোনো পৃষ্ঠপোষকতা আপনারা কি পাচ্ছেন?
সেই বিষয়েও আমরা কথা বলছি। কারণ আমাদের টিভি নাটকের পরিসরটা অনেক বড় হলেও অনেক দিক থেকে আমরা অবহেলিত। তাই সরকার যদি আমাদের পাশে থাকে তাহলে অনেক বিষয় আমাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে।
নাটকের সেন্সরশিপের বিষয়ে এর আগে পদক্ষেপ নেওয়ার খবর শোনা গেলেও এর কোনো বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। এ বিষয়ে আপনারা কী উদ্যোগ নিচ্ছেন?
আসলে সেন্সরশিপ বলতে যা বোঝায় তা হয়তো আমাদের পক্ষে করা সম্ভব হবে না। কারণ প্রচুর নাটক নির্মিত হয় প্রতিমাসে। কিন্তু আমরা যেটি করবো সেটি সবাইকে তালিকাভুক্ত করা। এ বিষয়টি নিয়ে ডিরেক্টর গিল্ডের সাথে বসবো। পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পী সবাই একটি তালিকার আওতাভুক্ত থাকবেন। এর বাইরে কেউ নাটক নির্মাণ করলে সেই নাটক প্রচার হবে না। এ নিয়ে চ্যানেলগুলোর সাথেও আমরা বসবো। কারণ আমাদের নাটক শিল্পে কয়েকজন কন্ডাক্টর ঢুকে গেছেন। যারা নাটকের কিছুই বোঝেন না। উল্টো দিকে আমাদের নাটকের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন।
নাটকের সার্বিক অবস্থা নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?
ভালো খারাপ মিলিয়েই নাটক হচ্ছে। তবে হয়তো খারাপটাই বেশি হচ্ছে। যার কারণ বাজেট। বাজেট নিয়ে আমরা চিন্তা করছি। এর একটি সমাধান বের করা জরুরি।
ইত্তেফাক/আনিসুর
