পিএসএল: ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ঘটনা তদন্তে ট্রাইব্যুনাল

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৭, ২০:৫৬
মাত্র শেষ হওয়া পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ঘটনা তদন্তে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারককে প্রধান করে সোমবার ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক এ টি-২০ টুর্নামেন্টে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ইতোমধ্যে দুই খেলোয়াড়কে দায়ী করে তাদেরকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
 
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে এই কান্ড করার দায়ে পিএসএল-এ একটি মাত্র ম্যাচ খেলার পরই গত মাসে সার্জিল খান ও খালিদ লতিফকে অনানুষ্ঠানিকভাবেই দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে তাদের অভিযুক্ত করা হয়। এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে ব্রিটিশ পুলিশ। এদের মধ্যে ছিলেন প্রত্যাখ্যাত পাকিস্তান ওপেনার নাসির জামশেদও। পরে অবশ্য জামিনে মুক্তি দেয়া হয় তাকে।
 
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি শাহরিয়ার খান বলেছেন, লাহোর হাই কোর্টের সাবেক বিচারপতি আসগর হায়দারকে তদন্ত দলের প্রধান করা হয়েছে। তিনি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘বিচারপতি আসগরকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত দলের বাকী দুই সদস্য হচ্ছেন তৌকির জিয়া ও ওয়াসিম বারী।’
 
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাবেক জেনারেল জিয়া এর আগে ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত পিসিবি প্রধানের দায়িত্বও পালন করেছেন। আর বারী হচ্ছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও ম্যানেজার। আন্তর্জাতিক বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত সন্দেভাজন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে বোর্ডের দুর্নীতি বিরোধী আইন ভঙ্গের দায়ে দুই খেলোয়াড়কে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে। 
 
গত মাসে তাদের অস্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হলেও এখনো পর্যন্ত দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই দুই ক্রিকেটার। উদীয়মান ক্রিকেটার সার্জিল খান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে অংশ নিয়ে তিনটি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। তিনি চলতি বছর কাউন্টি ক্লাব লিস্টারশায়ারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন।
 
২৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে একটি মাত্র টেস্ট খেললেও ইতোমধ্যে খেলে ফেলেছেন ২৫টি ওয়ানডে ও ১৫টি টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ। গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে অংশ নেয়া লতিফ এ পর্যন্ত ৫টি ওয়ানডে ও ১৫টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে অংশ নিয়েছেন। এএফপি।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির