আটকের আট দিন পর মামলা দায়ের এবং আসামিদের আদালতে হাজিরের ঘটনায় মামলার বাদী সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে বলেছে হাইকোর্ট। আগামী ২ এপ্রিল তাকে আদালতে হাজির হয়ে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। এছাড়া মানবপাচার আইনের করা মামলায় আসামি রাশেদ খান ও রায়হান খানকে কেন জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।
গত ১৩ জানুয়ারি মানব পাঁচারের অভিযোগে বনানী থেকে রাশেদ ও রায়হানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরে তাদেরকে খিলগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়। আটকের আটদিন পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই মামলায় গত ২০ জানুয়ারি তাদেরকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালত জামিন মঞ্জুর না করে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। পরে আসামিরা হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। সোমবার ওই আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
তিনি বলেন, রাশেদ ও রায়হানকে আটকের আটদিন পর মামলা করে আদালতে হাজির করা হয়। কিন্তু ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে রয়েছে আসামিকে আটকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে। এক্ষেত্রে আইনের লংঘন করে তাদেরকে আটকে রাখা হয়েছে। এটা আইনের ও সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের লংঘন। এরপরই হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট মামলার বাদীকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ।
ইত্তেফাক/মাহমুদুল
