গত সপ্তাহের ঘটনা। ৭ মার্চ মঙ্গলবার সঙ্গীতশিল্পী ও পশ্চিমবঙ্গের ‘দোহার’ ব্যান্ডের গায়ক-সংগীত পরিচালক কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য ভারতের হুগলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ঘুরে ভারতে ফিরেন কালিকা। চলতি মাসটা কালিকার জন্য যেমন ছিল গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি হৃদয়বিদারক। ২ মার্চ বাংলাদেশি সিনেমা ‘ভুবন মাঝি’র প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। ছবিটিতে প্রথমবারের মতো সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন কালিকা।
ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে শৈশব-কৈশোরে কেমন ছিলেন কালিকা। আসামের শিলচরের ছেলে কালিকাপ্রসাদের বেড়ে ওঠা পারিবারিক সাংস্কৃতিক আহব-পরিবেশে।
IMG0
পারিবারিক আয়োজনে ছোট্ট কালিকাপ্রসাদ
সেই পরিবারের ছেলে অবশ্য একটু একটু করে তাঁর পরিচয়কে অনেক অনেক বড় করে ফেলেন। তিনি হয়ে ওঠেন বৃহৎ বাংলার ছেলে। হয়ে ওঠেন বিশ্ব সঙ্গীত জগতের সদস্য।
সেই শোক একটু হলেও কমেছে। কিন্তু স্মৃতিতে রয়ে গিয়েছেন তিনি। থেকেও যাবেন বহু বহু দিন। কলকাতা তথা বাংলা যেমন কালিকার শোকে বিহ্বল ততটাই তাঁর জন্ম শহর শিলচর।
IMG1
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে
সেখানে ৮ মার্চ সাধারণ মানুষ পথে নেমেছিলেন শোক মিছিলে। কিন্তু সেই মিছিলে মনের জোর নিয়ে অংশ নিতে পারেননি কালিকাপ্রসাদের মামাতো ভাই তথা ছেলেবেলা থেকে অভিন্নহৃদয় বন্ধু সমীরণ চৌধুরী। তখন তিনি স্মৃতি অ্যালবাম ঘেঁটেছেন একা।
IMG2
যুবক কালিকাপ্রসাদ
পরে তাঁর সংগ্রহে থাকা কালিকাপ্রসাদের শৈশব ও কৈশোরের কিছু ছবি প্রকাশিত হয়েছে ভারতীয় মিডিয়া এবেলা’তে।
