দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ডানেডিন টেস্টে নিউজিল্যান্ড স্বাগতিক হবার সুবিধা নেয়নি বলে মনে করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস। নিউজিল্যান্ড সাধারণত সবুজ ঘাসের সংমিশ্রণে দ্রুত গতির পিচ তৈরি করে থাকে। কিন্তু ডানেডিন টেস্টে সেটি ছিলো না বলে জানান ডু প্লেসিস, ‘এমন উইকেটে নিউজিল্যান্ডে আগে কখনো খেলিনি আমরা। স্বাগতিক হবার সুবিধা তারা নেয়নি।’
ডানেডিনে সিরিজের প্রথম টেস্টে চারদিন ব্যাট-বলের লড়াই করেছে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্ত বৃষ্টির কারণে পঞ্চম ও শেষদিনের খেলা পরিত্যক্ত হওয়ায় ম্যাচটি ড্র হয়।
তবে ডানেডিন টেস্টের পিচ দেখে অবাক হয়েছেন ডু প্লেসিস। অতীতে এখানে তারা যে ধরনের পিচে খেলেছেন, প্রথম টেস্টের পিচ এমনটা ছিলো না মনে করা সফরকারী অধিনায়ক বলেন, ‘এটি নিউজিল্যান্ডের স্বভাবসুলভ উইকেট ছিলো না। আমি জানি না কোন কৌশল হিসেবে নিউজিল্যান্ড উইকেট পরিবর্তন করেছে। গেল দু’বছর ধরে আমরা যতবারই এখানে খেলেছি, উইকেট ছিলো সবুজ। সিম ও সুয়িংয়ের দিক থেকে নিউজিল্যান্ডের সাথে আমাদের (দ: আফ্রিকা) উইকেটের সাথে অনেক মিল আছে। রৌদ্রজ্জ্বল অবস্থায় আপনি ভালোভাবে রান করতে পারবেন। এখানকার কন্ডিশন আমাদের অবাক করেছে।’
এবারের নিউজিল্যান্ড সফরে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোয়াডে ছয়জন পেসার আছে। স্পিনের চাইতে পেসের দিকেই বেশি নজর দিয়েছে প্রোটিয়ারা। কিন্তু কন্ডিশন দেখে ডু প্লেসিস বুঝতে পেরেছেন নিউজিল্যান্ড স্পিনারদের জন্যই এমন কন্ডিশন তৈরি করেছে, ‘নিউজিল্যান্ডে স্বাভাবিকভাবেই আমাদের পরিকল্পনায় দুই স্পিনার ছিলো না। কিন্তু এখানকার কন্ডিশনে অনেক পরিবর্তন হয়েছে এবং আমরা এখন বুঝতে পারছি, নিউজিল্যান্ড স্পিনারদের জন্য কন্ডিশন তৈরি করেছে।’
ডানেডিন টেস্টে সেরা একাদশে মাত্র একজন স্পিনার রেখেছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা। বাঁ-হাতি অর্থোডক্স কেশব মহারাজ সিরিজের প্রথম টেস্টে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৯৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন মহারাজ। তাই পরের টেস্টগুলোতে একাদশে আরও স্পিনার খেলার পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিলেন ডু প্লেসিস।
ওয়েলিংটনে আগামী ১৬ মার্চ থেকে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। বাসস।
