টানা ভারি বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে পেরুতে কয়েক দিনে অন্তত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
বিবিসি জানিয়েছে, গত প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এই বন্যায় দেশটির অর্ধেকেরও বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আটশরও বেশি শহরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
গত সোমবার থেকে রাজধানী লিমার পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ ছিল, এখন সরবরাহ ব্যবস্থা আবার চালু করার চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে সাহায্য করতে দেশজুড়ে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
দেশটির কোনো কোনো এলাকায় খাবার ও পানির অভাব দেখা দেওয়ায় গত সপ্তাহে মূল্যস্ফীতি পাঁচ শতাংশ বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে সরকার। বৃষ্টিপাত থামলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াজনিত অস্থিরতা আরো কয়েক সপ্তাহ বিরাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পেরু ও প্রশান্ত মহাসাগরের তীরবর্তী দেশগুলো এল নিনোর প্রভাবে পড়েছে। এল নিনোর প্রভাবে সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে বাষ্পীয়ভবনের হার বেড়ে যায় এবং ভারি বৃষ্টিপাত হয়। ১৯৯৮ সালেও শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে পেরুতে ব্যাপক বন্যা হয়েছিল।
ভয়াবহ খরা কবলিত কেনিয়ায় সর্বশেষ সহিংস ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় গবাদি পশুর ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে তারা মারা যায়। সোমবার পুলিশ এ কথা জানায়।
ইসিওলো শহরের পুলিশ প্রধান চার্লেস ওন্ডিতা বলেন, রবিবার কেনিয়ায় মধ্যাঞ্চলীয় কোমে বোরানা ও সাম্বুর গোষ্ঠীর রাখালদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়। উভয় দলই সেখানে তাদের গবাদি পশুগুলোকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নিয়ে আসে। তিনি আরো বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষে ১০ জন নিহত ও অপর ২ জন আহত হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে আরো কর্মকর্তাদের মোতায়েন করেছি।
দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় বারিঙ্গোর মুকুতানি এলাকায় ইলচামুস ও পোকোত গোষ্ঠীর রাখালদের মধ্যে গরুর ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর সর্বশেষ হতাহতের এই ঘটনা ঘটল।
ইত্তেফাক/নূহু
