ভারত-অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান সিরিজ নিয়ে দুই দেশের বোর্ড, ক্রিকেটার এবং মিডিয়ার বিবাদের মাঝে জল ঢেলে দিচ্ছেন কেউ কেউ। কিছুদিন আগে অসি মিডিয়া ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করেছিল। আবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নির্বাহী জেমস সদারল্যান্ড বলেছেন, ‘কোহলি নাকি ঠিকমত সরি বলতেও জানেনা।’
চারদিকে যখন ভারতীয় অধিনায়ক কোহলির সমালোচনা ঠিক তখনি তার পশে দাঁড়ালেন অসি গ্রেট স্টিভ ওয়াহ।
তিনি বলেছেন, কোহলি একজন আগ্রাসী অধিনায়ক। ও সবসময় ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা নিয়ে মাঠে নামে। আমিও ঠিক এগুলোই করতাম। আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম দলের সদস্যরা ইতিবাচক হলে তবেই প্রতিপক্ষের থেকে সমীহ আদায় করতে পারব। ও সেটাই করে। ওর দলের ক্রিকেটাররা ওকে সম্মান করে। এটা একজন অধিনায়কের পক্ষে দারুণ সঙ্কেত। রিকি পন্টিংও এরকম খেলোয়াড় ছিল। ও দলের আইকন ছিল। ও তেমনি ভারতীয় দলের আইকন।
পন্টিংয়ের সঙ্গেও কোহালির মিল খুজে পেয়েছেন স্টিভ। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বজয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক বলেছেন, ‘রিকি পন্টিংও একই ধরনের প্লেয়ার। ও হাতা গুটিয়ে মাঠে নেমে পড়বে। প্রয়োজনে প্যাড আপ করে ক্রিজে গিয়ে সামনে থেকে টিমকে নেতৃত্ব দেবে। বিরাট কোহালিও ঠিক একই কাজ করে। বিরাটের নেতৃত্বে আমার আর রিকির ছায়া দেখতে পাই আমি।’
স্টিভ যখন কোহালির সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পাচ্ছেন, তখন স্টিভ স্মিথের এই দলটার সঙ্গে তাঁদের ১৯৮৯ সালের অ্যাসেজ সফরের দলটার মিল খুঁজে পাচ্ছেন অ্যালান বর্ডার। অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাক্তন অধিনায়ক বলে থাকেন, তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল ’৮৯ সালের অ্যাসেজ সফর। ওই সফরের আগে বর্ডারের দলকে বলা হয়েছিল, ইংল্যান্ডে খেলতে যাওয়া সবচেয়ে খারাপ অস্ট্রেলিয়া দল। সেই অ্যাসেজ ৪-০ জেতে অস্ট্রেলিয়া। সেই সফরের উদাহরণ টেনে এনে বর্ডার বলছেন, ‘স্টিভ স্মিথের দল যদি ধর্মশালায় ভারতকে হারিয়ে ওদের মাটি থেকে সিরিজ জিতে ফিরতে পারে, তা হলে আমাদের কৃতিত্বও ছাপিয়ে যাবে।’
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কও কোহলির প্রশংসা করেছেন। স্পোর্টস ক্যাফে।
ইত্তেফাক/রেজা
