ইমার্জিং এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের সাথে টাই করেছে বাংলাদেশ। তবে নেট রান রেটে এগিয়ে থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ। শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে পাকিস্তান। ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। ওভার ছিলো ১১.৩ ওভারে ৩৫ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে দলটি।
টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো ওপেনিংয়ে বোলিং করা সাইফ উদ্দিন জোড়া আঘাত হানেন প্রতিপক্ষের শিবিরে। নিজের তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে লেগ বিফোর ফাঁদে ফেলেন ইমরান বাটকে। এক ওভার বাদে আবারও সাইফ উদ্দিনের আঘাত। এবার তার শিকার ইনফর্ম ইমাম উল হক।
স্লিপে শান্তর হাতে ক্যাচ বানিয়ে অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ফেরান এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো সুযোগ পাওয়া নাইম হাসান। পরের ওভারে জাহিদ আলীকে শিকার করে পাকিস্তানের স্কোর ৪ উইকেটে ৩৫ রানে পরিণত করেন নাসুম হাসান। দলের এমন বিপর্যয়ে হাল ধরেন পাকিস্তানের হারিস সোহেল ও হাম্মাদ আজম। পঞ্চম উইকেটে তারা দুজন যোগ করেন ৮৬ রান। মূলত এই জুটিতেই ২শ’ রান পেরিয়ে যায় পাকিস্তান। তবে ব্যক্তিগত আবুল হাসান রাজু নিজের বোলিংয়ে ৪ রানে থাকা হারিস সোহেলকে এবং ব্যক্তিগত ২ রানে থাকা হাম্মাদ আজমের ক্যাচ না মোহাম্মদ মিথুন ছাড়লে হয়তো ২শ’ রানের অনেক আগেই গুটিয়ে যেতো পাকিস্তান।
Match tied, Bangladesh fall behind Pakistan in run rate and proceed to Semi Final as Runner-up.#EmergingTeamsAsiaCup2017 pic.twitter.com/qd5GCn3Mhs
— Bangladesh Cricket (@BCBtigers) March 30, 2017
তারপরও শেষের দিকে হোসাইন তালাতের অপরাজিত ৫৭ রানের উপর ভর করে ২৩৩ রান করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের পক্ষে সাইফ উদ্দিন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট, আবুল হোসেন রাজু ও মাসুম আহমেদ ২টি করে এবং নাইম হাসান ১টি উইকেট পান। জবাবে ২৩৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর হাল ধরেন অধিনায়ক মমিনুল । ৭৫ রানের ইনিংস খেলার পথে মুমিনুল প্রথমে শান্তর সাথে ৬৩ ও মিথুনের সাথে ৭৩ রানের জুটি গড়েন।
শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য শেষ ওভারে বাংলাদেশের প্রযোজন ছিল ৭ রান। হাতে তখনও দুই উইকেট। ব্যাটিং-এ সাইফ উদ্দিন ও নাইম হাসান। প্রথম ৫ বল থেকে সমান ৫ রান নেওয়ায় শেষ বলে বাংলাদেশের দরকার পড়ে ২ রান। কিন্তু শেষ বলে সাইফ উদ্দিন এক রানের বেশি নিতে না পারায় ম্যাচটি টাই হয়। বাসস।
ইত্তেফাক/রেজা
