সিরিয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ইদলিবে রাসায়নিক গ্যাস হামলায় ২০ শিশুসহ অন্তত ৭২ জন নিহত হওয়ায় এর দায় ওই অঞ্চলের বিদ্রোহীদের উপর চাপিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সিরিয়ান বিমান হামলার স্থানে রাসায়নিক গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে বিদ্রোহীদের অস্ত্র থেকে।
এছাড়া রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে, ইদলিব প্রদেশের খান শেখোওয়ান শহরে সিরিয়ার সরকারী বাহিনীর দ্বারা বিমান হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু রাশিয়া আরো বলছে, সিরিয়ার চালানো বিমান হামলা ইরাকে ব্যবহারের জন্য ওই অঞ্চলের রাসায়নিক তৈরির কারখানায় আঘাত হেনেছে। আর সেখান থেকেই সম্ভবত ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত গ্যাস।
তবে সিরিয়ান বিমান থেকেই রাসায়নিক অস্ত্র ফেলা হয়েছে বলে যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্যরা দাবী করে আসলেও, দামেস্কের পক্ষ থেকে তা নাকচ করে দেয়া হয়েছে।
IMG0
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব বরিস জনসন রাশিয়ান উদ্ধৃতিকে উল্লেখ করে বলেন, ‘সিরিয়ার জনগণের উপর বাশার আল আসাদ সরকারের মাধ্যমেই নিষিদ্ধ অস্ত্রের প্রয়োগ হচ্ছে, এ সংক্রান্ত সকল প্রমাণই পেয়েছি আমরা।’
যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস নিশ্চিত করেছে যে, ইদলিবে সম্ভাব্য রাসায়নিক গ্যাস হামলায় এ পর্যন্ত ২০ শিশুসহ অন্তত ৭২ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে।
IMG1
আক্রান্তদের লক্ষণের মধ্যে অজ্ঞান হয়ে পড়া, বমি ও মুখ দিয়ে ফেনা বের হওয়া প্রকাশিত হচ্ছে। সিরিয়ান অবজারভেটরি আক্রমণে কোন ধরণের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি, তবে বিদ্রোহীদের মুখপাত্র ইদলিব মিডিয়া সেন্টার দাবি করছে নার্ভ এজেন্ট সারিন দিয়ে এই হামলা করা হয়েছে। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু
