রাজধানীর সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আমরা বাংলাদেশের নারী : সমাজ বদলাতে পারি’ শীর্ষক অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. পারভীন হাসান, সোশিওলজি অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক মালেকা বেগম, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ড. সৌমিত্র শেখর প্রমুখ। অনুষ্ঠানের আয়োজক ইউনিভার্সিটির সোশিওলজি অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ।
তাসমিমা হোসেন বলেন, কেবল সনদপত্র থাকলেই কেউ শিক্ষিত হয় না। সুশিক্ষিত হতে হলে পাঠ্যপুস্তকের বাইরেও পড়তে হবে। চিন্তার পরিধি বাড়াতে হবে। সুশিক্ষিত মা আগামীতে সুশিক্ষিত প্রজন্মের জন্ম দিতে পারবে।
ড. পারভীন হাসান বলেন, সুযোগ মানুষকে নিতে হয়। মেধাবীরা সুযোগ পেলে কাজে লাগাতে পারে। বই পড়া অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। প্রিয় মানুষকে নিয়ে লেখা বই পড়। বই পড়ে কল্পনার জগতে হারিয়ে যাওয়া যায়।
অধ্যাপক মালেকা বেগম বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারে সমাজ বদলায়, আমরাও বদলে যাব। প্রযুক্তিকে সঙ্গী করে আমাদের পড়াশোনা এগিয়ে নিতে হবে। আমি আশা করছি- আমাদের মেয়েরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়তে পারবে।
ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, একটি ছেলে শিশু জন্মের পর পরিবারে অনুকূল বাতাস পায়। অন্যদিকে কন্যা শিশু পায় প্রতিকূল বাতাস। অদৃশ্য এই বাতাস নারীকে পিছিয়ে দেয়। নারীদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা আসবেই। সেসব বাধা টপকাতে হবে।
সকালে সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির ছাত্রী শাম্মী আরা, সুমাইয়া খান দোলা, অন্নি পোদ্দার সংগীত পরিবেশন করে প্রধান অতিথি তাসমিমা হোসেনকে বরণ করে নেন। এরপর বেলুন উড়িয়ে তিনি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পরে বিভাগীয় চেয়ারপার্সন প্রধান অতিথিকে বই উপহার দেন।
অনুষ্ঠানে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ৭৭ জন ছাত্রী। এতে প্রথম হয়েছেন- তানহা মিম ও রওশন আর, দ্বিতীয় শারমিন জাহান সান্তনা ও হুমায়রা ইসরাত মোহনা, তৃতীয় হয়েছেন শামস শাইরন জিতু ও রিশতা রহমান। পরে ছাত্রীদের ১১টি কোর্সের উপস্থাপনা ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন অতিথিবৃন্দ।
ইত্তেফাক/নূহু
