ভারতের কাশ্মীরের শ্রীনগর এলাকায় লোকসভা উপনির্বাচনে বিক্ষোভকারীদের উপর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৬ জন নিহত হয়েছে। রবিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত মাত্র ৫.৫২ শতাংশ ভোট পড়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর পাথর নিক্ষেপ ও ভোটকেন্দ্র জ্বালিয়ে দিতে পেট্রোল বোমা ছোড়ার পরে সহিংস বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীকে ডাকা হয়। বুদগ্রামের পাখেরপোরা এলাকায় একটি ভোটকেন্দ্রে ভাংচুর চালানোর পরে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে সতর্ক গুলি চালায়। বিক্ষোভকারীরা তাতে কান দেয়নি, গুলিতে ৬ জন আহত হয় যাদের মধ্যে মোহাম্মদ আব্বাস (২০) ও ফাইজান আহমেদ (১৫) নামের দুই জন মৃত্যুবরণ করেন।
আরেকটি ঘটনায় রাতজুনা বীরবাহ এলাকায় পাথর নিক্ষেপকারী জনতার উপর গুলি চালালে নিসার আহমেদ নামের একজন নিহত হন বুদগ্রামের দৌলতপাড়া এলাকায় শাবির আহমেদ নামে এক ব্যক্তি নিহত হন নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে। মাগামে আদিল ফারুক নামে এক তরুণ মারা যান ছররা গুলিতে আহত হয়ে। আর সন্ধ্যার দিকে বীরবাহ এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আকিব ওয়ানি নামে একজন নিহত হয়।
একজন কর্মকর্তার বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত বিএসএফ সরাসরি গুলি করেছে, কারণ তাদের পেলেট গান দেয়া হয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী প্রচণ্ড পাথর নিক্ষেপের মধ্যে দুটি ভোটকেন্দ্র ছেড়ে পালিয়ে যায়। শ্রীনগর লোকসভা নির্বাচনে এই সহিংসতার কারণে বুদগ্রাম, গান্ডেরবাল ও শ্রীনগরে মাত্র ৫.৫২ শতাংশ ভোট পড়ে।
বিরোধী দলীয় ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রেসিডেন্ট ও প্রার্থী যথাক্রমে ফারুক আব্দুল্লরাহ ও তার ছেলে ওমর সঠিকভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে না পারার অভিযোগ তুলেছে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির বিরুদ্ধে। টাইম অব ইন্ডিয়া।
ইত্তেফাক/সাব্বির
