নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে পর্যালোচনা শুরু

ইরান পরমাণু চুক্তি মেনে চলছে : টিলারসন

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৭, ১৯:৩৫
পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে তেহরান চুক্তি মেনে চলছে এ কথা স্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কি-না, তা নিয়ে একটি আন্তঃসংস্থা পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। 
 
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন গত মঙ্গলবার প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ও কংগ্রেসের শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা পল রায়ানকে লেখা এক চিঠিতে বলেন, ইরান ২০১৫ সালের চুক্তিতে বহাল আছে, কিন্তু সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্র হিসেবে এর ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। জয়েন্ট কম্প্রেহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) নামে কথিত ওই চুক্তি অনুযায়ী, ইরান চুক্তিটি মেনে চলছে কি-না, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতি ৯০ দিন অন্তর অবশ্যই তা কংগ্রেসকে জানাবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে এটি এ ধরনের প্রথম কোনো বিজ্ঞপ্তি।
 
এক বিবৃতিতে টিলারসন বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার পল রায়ানের কাছে আজ প্রত্যায়ন করে যে, জয়েন্ট কম্প্রেহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশনের অধীনে ইরান ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এর প্রতিশ্রুতি সহকারে নমনীয় আছে।’ তিনি আরো বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কি-না, তা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির নেতৃত্বে একটি আন্ত:সংস্থা পর্যালোচনার নির্দেশনা দিয়েছেন। এই পর্যালোচনা কত সময় নিবে তা না বললেও টিলারসন চিঠিতে রায়ানকে জানান, এই ইস্যুতে প্রশাসন কংগ্রেসের সাথে কাজ করতে আগ্রহী। 
 
ইরান ও ছয় বিশ্বশক্তির মধ্যে ঐতিহাসিক এই চুক্তিটি দেশটির ওপর থেকে তেল ও আর্থিক  নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার বিনিময়ে তেহরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে বিরত রাখার একটি কৌশল। যদিও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণরা সময় ট্রাম্প একে ‘এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বাজে মধ্যস্থতা করা চুক্তি’ বলে অভিহিত করেছিলেন এবং তিনি দায়িত্ব নিলে এটি বাতিলও করতে পারেন, এরকম প্রশ্নও তুলেছিলেন। রয়টার্স।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির