নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কম বরাদ্দ ও ডিলার না থাকায় ‘ওএমএস’-এর মাধ্যমে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির চাহিদা পূরণ না হওয়ায় গ্রাহকের মাঝে হাহাকার দেখা দিয়েছে। সকাল থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও বেলা শেষে খালি হাতে ফিরছেন অনেকেই।
সোমবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, দুর্গাপুর পৌরসভায় মাত্র তিনজন ওএমএস ডিলার গত ১৭ এপ্রিল থেকে খোলা বাজারে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল ও ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি করছেন। অকাল বন্যাদুর্গত এলাকা হিসেবে উপজেলার অন্য ৭টি ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত কোনো ওএমএস ডিলার নিয়োগ না দেওয়ায় তিনজন ডিলার প্রত্যেকে প্রতিদিন মাত্র এক মেট্রিক টন চাল ও এক মেট্রিক টন আটা বরাদ্দ পাচ্ছেন। যা দিয়ে সর্বোচ্চ এক হাজার মানুষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।
ডিলার সুভাষ চন্দ্র সাহা বলেন, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় আমাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, সামপ্রতিক অকাল বন্যায় উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। উপজেলা সদরের তিনটি ওএমএসের দোকানে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকে চাল বা আটা না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।
চাহিদা বেশি থাকায় দোকান খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই বরাদ্দ শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নাসির উদ্দিন জানান, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় অনেকেই ওএমএসের চাল ও আটা নিতে পারছেন না। স্থানীয় সংসদ সদস্য সরেজমিন চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে বরাদ্দ অপ্রতুলতার কথা স্বীকার করে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করছেন বলে জানান।
ইত্তেফাক/নূহু
