লালপুরে লাশ চুরির ভয়ে ঘরে দাফন

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০১৭, ১৭:৪৪
নাটোরের লালপুরে বজ্রপাতে নিহতের লাশ চুরির ভয়ে ঘরের মধ্যে দাফন করেছে তার স্বজনরা। কবরের চারপাশে তৈরি করা হচ্ছে ইটের দেওয়াল। 
 
সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া গ্রামের মাঠে পেঁয়াজ তুলতে গিয়ে বজ্রঘাতে হাফিজুল ইসলামের (২৬) মৃত্যু হয়। আর হাফিজুলের লাশ ঘিরে শুরু হয় নানা জল্পনা কল্পনা। লোকজন বজ্রপাতে নিহতের লাশ চুরির কাহিনী নিয়ে কথা বলেন পরিবারের লোকজনের সাথে। ফলে সামাজিক কবরস্থানে লাশ দাফন নিয়ে সিদ্ধান্তহীতায় পড়েন হাফিজুলের স্বজনরা। লাশ দাফনে বিলম্বও হয় সন্ধ্যা পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত হাফিজুলের বাড়ির মধ্যে ভূষির ঘরে (গরুর খাবার রাখার ঘর) তার লাশ দাফন সম্পন্ন করে স্বজনরা। সেখান থেকেও যেন লাশ চুরি না হয় সেজন্য মঙ্গলবার সকাল থেকে শক্ত করে ইটের দেওয়াল তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে।
 
নিহতের বাবা মতিউর রহমান বলেন, বজ্রপাতে নিহতের লাশ নাকি কবর থেকে তুলে নিয়ে যায় চোরেরা। তাই ঘরের মধ্যেই ছেলের কবর দেওয়া হয়েছে।
 
ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান মাস্টার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অন্যত্র লাশ চুরির কথা শুনে থাকি তবে আমাদের এখানে এমনটি ঘটে নি।